sleeplessness
অনিদ্রা বা ঘুম না হওয়া- sleeplessness, insomnia
বিষাদময় ঘটনা, শোক, কোনো প্রিয়জন বা বন্ধুর মৃত্যুজনিত কারণে অনিদ্রা। - অ্যাসিড ফস (Acid Phos)
: তীব্র মানসিক আঘাত বা শকের ক্ষেত্রে ঘুম আনার জন্য প্রতি ১৫ মিনিট অন্তর অ্যাকোনাইটাম ন্যাপ ২০০ (Aconitum nap. 200) সেবন করান। ভয়, অতিরিক্ত উত্তেজনা বা মানসিক আঘাতের কারণে অনিদ্রা এবং অস্থিরতা। - অ্যাকোনাইট (Acon)
: সকালে ভালো ঘুম হয়। এটি শান্ত, শান্তিপূর্ণ ও সতেজকারী ঘুম আনে। - আলফালফা কিউ (Alfalfa Q), ১০ ফোঁটা
দুশ্চিন্তা বা ব্যবসায়িক সমস্যার কারণে অনিদ্রা। - অ্যাম্ব্রাগ্রিসিয়া (Ambragrisea)
বিশেষ করে গর্ভাবস্থা ও মেনোপজ বা রজোনিবৃত্তির সময় অনিদ্রা, সাথে স্নায়বিক মাথাব্যথা। - অ্যামোনিয়াম ভ্যাল ৩এক্স (Ammonium val 3x)
: অনিদ্রার রোগী ঘুম না হওয়ার কারণে ক্লান্ত বোধ করেন না। রাত ১টা থেকে ৩টার মধ্যে ঘুম ভেঙে যায় এবং ঘুম থেকে ওঠার পরও সতেজ বোধ করেন না। - অ্যাপিয়াম গ্রেভ (Apium grave)
: প্রতিদিন এক বা দুই ডোজ সেবনের ফলে ঘুম আসে। - অ্যাপোমর্ফিনাম মুর ৩সি (Apomorphinum mur. 3c)
: পরের দিনের কোনো ঘটনা, যেমন—সাক্ষাৎকার বা পরীক্ষার দুশ্চিন্তা থেকে অনিদ্রা। - আর্জেন্টাম নাইট্রিকাম (Argentum nitricum)
অতিরিক্ত শারীরিক বা মানসিক পরিশ্রমের কারণে অনিদ্রা। বিছানা খুব শক্ত মনে হয়; বিছানার নরম অংশ খোঁজার জন্য এপাশ-ওপাশ করতে থাকেন। - আর্নিকা (Arnica)
ঘুম আসতে দেরি হওয়া বা দুশ্চিন্তার কারণে রাত ২টার দিকে ঘুম ভেঙে যাওয়া। তীব্র অস্থিরতা এবং উঠে ঘরের মধ্যে পায়চারি করার প্রবল ইচ্ছা। ঘুম ঘুম ভাব থাকা সত্ত্বেও ঘুমাতে না পারা। শিশু এপাশ-ওপাশ করে এবং লাথি মেরে গায়ের কাপড় ফেলে দেয়। - আর্সেনিক অ্যালবাম (Arsenic album)
মদ্যপায়ী এবং মরফিন আসক্তিযুক্ত ব্যক্তিদের অনিদ্রা। - অ্যাভেনা স্যাটাইভা কিউ (Avena sativa Q), ১০ ফোঁটা
দুশ্চিন্তা ও অস্থিরতার কারণে মধ্যরাতের পর অনিদ্রা; রোগী বিছানা ছেড়ে উঠে পায়চারি করেন। গর্ভাবস্থায় অনিদ্রা। - বেলাডোনা (Belladonna)
ভোরবেলা ঘুম ভেঙে যায় এবং আর ঘুম আসে না, বিশেষ করে রাত ১-২টার পর। - বেলিস পার (Bellis per)
: ব্যবসায়িক দুশ্চিন্তার কারণে অনিদ্রা। - ব্রায়োনিয়া (Bryonia)
: খুব ঘুম পায় কিন্তু ঘুমানো যায় না; একগুঁয়ে ও তীব্র ধরনের অনিদ্রা। ১০ ফোঁটা করে সেবন করতে হবে। - ক্যানাবিস ইন্ডিকা, কিউ (Cannabis Ind, Q)
: পেটে ব্যথার (কলিক) কারণে যেসব শিশু ঘুমাতে পারে না, তাদের অনিদ্রা দূর করে। এটি ব্যথা নিরাময় করে এবং ঘুম আনে। - ক্যাটারিয়া নেপ, কিউ (Cataria Nep, Q)
গরমের কারণে ঘুম আসে না, বিশেষ করে প্রাকৃতিক গ্যাসচালিত হিটার বা গরম বাতাস চলাচলের কারণে ঘর শুষ্ক ও গরম হয়ে থাকলে। - কস্টিকাম (Causticum)
রাতের প্রথম ভাগে অনিদ্রা ও অস্থিরতা; রোগী বিছানা ছেড়ে উঠে হাঁটাচলা করে। - ক্যামোমিলা (Chamomilla)
: মাত্র এক ডোজ সেবনেই ঘুম আসে। ঘুম পায় কিন্তু ঘুমানো যায় না; অস্থিরতার কারণে এপাশ-ওপাশ করতে থাকে; স্নায়বিক কারণে অনিদ্রা। - চিনিনাম আর্স / অ্যাসিড মিউর (Chininum Ars / Acid Mur)
: মানসিক রোগ, হাঁপানি, হ্যালুসিনেশন (অলীক দর্শন) ও রাতের আতঙ্কে (night terrors) ভোগা রোগীদের জন্য এটি একটি শক্তিশালী নিদ্রাকারক ওষুধ। অতিরিক্ত ক্লান্তির কারণে অনিদ্রা। - ক্লোরালম (Chloralum)
দাঁত ওঠার সময় শিশুদের অনিদ্রা। - সিমিফুগা (Cimicifuga)
: ঘুম না হওয়ার ফলে সারাক্ষণ ঝিমুনি ও খিঁচুনিযুক্ত হাই তোলা; মাথা ঘোরা। - ককুলাস ইন্ডিকা (Cocculus Ind)
: আনন্দের খবর, সুখকর চমক বা অতিরিক্ত কাজের পর অনিদ্রা। দিনের ঘটনাগুলো বা সমস্যাগুলো মনের মধ্যে ঘুরপাক খেতে থাকে। খারাপ খবরের কারণেও এমনটা হতে পারে। রাতের শুরুর দিকে ঘুম আসে না। গর্ভাবস্থায় ও সন্তান প্রসবের পরে অনিদ্রা। - কফিয়া ক্রুডা (Coffea Cruda)
কঠিন পড়াশোনা বা রাত জাগার ফলে ঘুম না হওয়ায় চরম অবসাদ বা দুর্বলতা; শরীরের ভেতরটা ঠান্ডা অনুভূত হওয়া। - কলচিকাম (Colchicum)
স্নায়বিক ব্যথার (neuralgia) কারণে অনিদ্রা। - কোনিয়াম (Conium)
শরীরে খিঁচুনি বা পেশির টানের (cramps) কারণে অনিদ্রা। - কিউপ্রাম মেট (Cuprum Met)
: শিশুদের অনিদ্রা; শিশু রাতে ঘুম থেকে জেগে ওঠে এবং খেলাধুলা শুরু করে। - সাইপ্রিপেডিয়াম পাব (Cypripedium Pub)
: কঠোর পরিশ্রম ও পেশিতে ব্যথার কারণে অনিদ্রা। - হেলিওনিয়াস (Helonias)
: মানসিক চাপ ও উদ্বেগের কারণে অনিদ্রা বা অস্থির ঘুম; এটি স্বাভাবিক মানসিক কার্যকলাপে কোনো ব্যাঘাত ঘটায় না। - হাইপেরিকাম, কিউ (Hypericum Q)
: শোক বা মৃত্যুর মতো কোনো ঘটনার কারণে অনিদ্রা। ক্রমাগত হাই ওঠা এবং এই আশঙ্কা যে তিনি আর কখনোই ঘুমাতে পারবেন না। —ইগনেশিয়া আমারা
খাওয়ার পর ঝিমুনি ভাব। রাত ২টার দিকে ঘুম ভেঙে যায় এবং আর ঘুম আসে না। – কালি-কার্ব (Kali-carb)
অনিদ্রার একটি চমৎকার ওষুধ। রোগী দুর্বল ও স্নায়ুবিক দুর্বলতাগ্রস্ত। ব্যবসায়িক দুশ্চিন্তা ও মানসিক অস্থিরতার কারণে অনিদ্রা। – কালি-ফস (Kali-phos)
: রোগীর ঝিমুনি ভাব থাকে কিন্তু ঘুম আসে না। এর ব্যবহারে গভীর ও আচ্ছন্ন ভাবযুক্ত ঘুম হয়। হিস্টিরিয়া ও মদ্যপায়ীদের ক্ষেত্রে এটি বিশেষভাবে উপযোগী। – লুপুলাস ৩এক্স (Lupulus 3x)
ভোর ৪টার দিকে ঘুম ভেঙে যায় এবং অতিরিক্ত চিন্তাশীলতার কারণে আর ঘুমানো যায় না। – লাইকোপোডিয়াম (Lycopodium)
অজীর্ণ বা বদহজমের কারণে অনিদ্রা। – ম্যাগনেসিয়া ফস (Magnesium phos)
অতীতের শোক ও অপ্রীতিকর ঘটনার কারণে অনিদ্রা। – নেট্রাম মিউর (Natrum mur)
: অতিরিক্ত উত্তেজনা, ক্লান্তি ও মানসিক চাপের কারণে অনিদ্রা। রোগী অত্যন্ত খিটখিটে মেজাজের হয়। ঘুম আসে কিন্তু রাত ৩টা থেকে ৪টার মধ্যে ভেঙে যায়; কয়েক ঘণ্টা জেগে থাকার পর আবার স্বাভাবিক সময় পর্যন্ত ঘুমায়। সে অন্যদের দোষ-ত্রুটি খুব বেশি খোঁজে। মদ্যপান, মাদকাসক্তি বা অতিরিক্ত কফি পানের কারণে অনিদ্রা। – নাক্স ভমিকা (Nux vomica)
ঘুমানোর সময় অনিদ্রা ও অস্থিরতা থাকে, কিন্তু যখন ঘুম থেকে ওঠার সময় হয় তখন গভীর ঘুম হয়। শরীর অনাবৃত থাকলে শীত শীত এবং আবৃত থাকলে গরম অনুভূত হয়। – ওপিয়াম (Opium)
: মানসিক ভারসাম্যহীনতা ও দুশ্চিন্তার কারণে অনিদ্রা। শোয়ার সময় প্রতি ৩০ মিনিট অন্তর ১৫ ফোঁটা করে ওষুধ সেবন করতে হবে যতক্ষণ না ঘুম আসে; এটি স্বাভাবিক ঘুম নিয়ে আসে। – প্যাসিফ্লোরা কিউ (Passiflora Q)
: বয়স্কদের অনিদ্রা। – ফসফরাস (Phos)
: অনিদ্রার সাথে উদ্বেগ থাকলে এটি উপকারী, কারণ এটি উদ্বেগ ও অনিদ্রা উভয়ই দূর করে। এটি গভীর ও আরামদায়ক ঘুম আনে। – পাইপার মেথি ৩এক্স (Piper methy 3x)
দুশ্চিন্তা, স্নায়ুবিক উত্তেজনা, ঋতুস্রাবকালীন ব্যথা (ডিসমেনোরিয়া), কাশি ও শারীরিক ব্যথার কারণে অনিদ্রা। শোয়ার সময় ৩০-৪০ ফোঁটা ওষুধ সেবন করতে হবে। সাধারণত এক ডোজ ওষুধই দীর্ঘ ও নিরবচ্ছিন্ন ঘুম আনার জন্য যথেষ্ট। – পিসিসিডিয়া কিউ (Piscidia Q)
ধূমপায়ীদের অনিদ্রা। – প্ল্যান্টাগো (Plantago)
: ঘুম আসে কিন্তু গভীর ঘুম হয় না। বিছানা গরম মনে হয়। বিছানায় শীতল জায়গা খোঁজার জন্য অকারণে এপাশ-ওপাশ করতে থাকে। এমনকি ঘড়ির টিকটিক শব্দও বিরক্তিকর মনে হয়। গভীর রাতে খাওয়ার কারণে অনিদ্রা।-- পালসাটিলা
মাদক ও মদ্যপানে অভ্যস্তদের অনিদ্রা।- স্যাকালে কর
: মেনোপজ, জরায়ুর স্থানচ্যুতি বা মূত্র সংক্রান্ত সমস্যার কারণে অনিদ্রা। অপ্রীতিকর স্বপ্নসহ প্রচণ্ড ঘুমঘুম ভাব।- সেনেসিও অর
: হাড় ভাঙা বা আঘাতের কারণে অনিদ্রা।- স্টিকটা পাল
মানসিক অবসাদের কারণে অনিদ্রা।- ট্যাবাকাম
: রাতে চুলকানির কারণে অনিদ্রা। গর্ভাবস্থায় বা মেনোপজের সময় অনিদ্রা।- ভ্যালেরিয়ানা কিউ
দ্রষ্টব্য: কিছু ঘুমের সমস্যা শারীরিক কারণে হয়ে থাকে; সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে সেসব সমস্যার সমাধান করলে অনিদ্রা দূর হতে পারে। আবার কিছু সমস্যা ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে দেখা দেয়, যা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ পরিবর্তন করলে সমাধান করা সম্ভব। এছাড়া ঘুমের বাজে অভ্যাসের (যেমন—দিনের বেলা অতিরিক্ত সময় ধরে ঘুমানো) কারণেও ঘুমের সমস্যা হতে পারে; সচেতনতা ও প্রচেষ্টার মাধ্যমে এই অভ্যাসগুলো পরিবর্তন করা যায়। রাতে ভালো ঘুমের জন্য নিচে কিছু সহায়ক পরামর্শ দেওয়া হলো:
১. ঘুমের একটি নির্দিষ্ট সময়সূচি মেনে চলুন। প্রতিদিন সকালে একই সময়ে ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস শরীরের অভ্যন্তরীণ জৈবিক ঘড়িকে (biological clock) সুসংগত রাখে।
২. শোবার ঘরটি শুধুমাত্র ঘুমানোর জন্যই ব্যবহার করুন। বিছানায় শুয়ে বই পড়া, টিভি দেখা বা খাওয়া-দাওয়া করা থেকে বিরত থাকুন।
৩. বিছানায় যাওয়ার ২০ মিনিটের মধ্যে যদি ঘুম না আসে, তবে উঠে পড়ুন এবং ঘুম না আসা পর্যন্ত বই পড়ুন অথবা শান্ত বা মৃদু কোনো গান শুনুন।
৪. ঘুমানোর আগে ২০ থেকে ৩০ মিনিট ধরে হালকা গরম পানিতে গোসল করুন।
৫. ঘুমানোর ঠিক আগে এক গ্লাস দুধ (গরম বা ঠান্ডা) পান করুন।
৬. বিকেল ও সন্ধ্যায় ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় এবং চকলেট খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।
৭. ঘুমানোর আগে অ্যালকোহল পান করবেন না; এটি রাতে অনিদ্রার কারণ হতে পারে।
৮. দিনের বেলা শরীরচর্চা বা ব্যায়াম করুন, তবে ঘুমানোর ঠিক আগে ব্যায়াম করা থেকে বিরত থাকুন।
৯. সুইজারল্যান্ডের ‘সাইকিয়াট্রিক ইউনিভার্সিটি ক্লিনিক অফ ক্রোনোবায়োলজি অ্যান্ড স্লিপ ল্যাবরেটরি’-র গবেষণা দলের প্রধান ড. আনা উইর্জ-জাস্টিসের মতে, ঠান্ডা ঘরে ঘুমানোর সময় হাত ও পা উষ্ণ রাখলে দ্রুত ঘুম আসে।
DR. M.A.Rashid ( D.H.M.S)
Reg: 25238
Mob-01915-888883,01999-524451
Whatsapp- 01915-888883
On line treatment is open: contact: Mob-01915-888883, Whatsapp- 01915-888883
3R হোমিও হল
ডাঃ মোঃ আঃ রশিদ (হোমিও গবেষক)
বি কম, (ডি,এইচ,এম,এস,ঢাকা)
রেজি: নং ২৫২৩৮
ট্রেনিং ইন কেস টেকিং (abroad)
ট্রেনিং ইন সিঙ্গেল রেমেডি (abroad)
ট্রেনিং ইন ল্যাব ইনভেস্টিগেশন (abroad)
সেবা সমূহ:
মাইন্ড, ডায়াবেটিস, হাই ব্লাড প্রেসার, স্কিন, সেক্স, নাক, কান, গলা, HBsAg, lymph gland, ক্যান্সার, হেপাটাইটিস, মস্তিষ্কের টিউমার, বেস্ট টিউমার, বেস্ট ক্যান্সার, জরায়ু টিউমার, গলব্লাডার পাথর, কিডনি পাথর, লাইপোমা, টিউমার, প্যারালাইসিস, বাত, সন্ধিপ্রদাহ, টনসিল, এডিনোইড, সাইনুসাইটিস, স্কিন এলার্জি, কোল্ড এলার্জি, মাইগ্রেন, কোলেস্টরল, খুসকি, দন্ত শূল, সাদা স্রাব, শ্বেতী, নখকুনি, চুল পড়া,মাথার তালু গরম, সায়টিকা, লিভারসিরোসিস, নাক দিয়ে রক্ত পড়া, শ্বাসকষ্ট, কানে ভোঁভোঁ শব্দ, অনিয়মিত মাসিক ও ব্যাথাযুক্ত মাসিক, জরায়ু হতে রক্ত স্রাব, হাতের তালু জ্বলা, পায়ের তালু জ্বলা, হার্টব্লক, ধ্বজভঙ্গ রোগ সহ সকল প্রকার ক্রনিক ও জটিল রোগের চিকিৎসা ।
-: যোগাযোগ :-
ডাঃ মোঃ আঃ রশিদ
3R হোমিও হল
হাউজ- ৬৬ নিচ তলা, Learnistica School এর ভিতরে),
রোড- ১১, সেক্টর- ১৪, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০। মোবাইল: ০১৯৯৯-৫২৪৪৫১, ০১৯১৫-৮৮৮৮৮৩
WhatsApp- 01915-888883,
Visit: www.3rhomoeo.com
সময়: সকাল ১১:০০ থেকে ১:৩০, বিকাল: ৫:০০ থেকে ৯:৩০ টা পর্যন্ত (মোবাইল করে সময় নিবেন), শুক্রবার বন্ধ ।
বিষাদময় ঘটনা, শোক, কোনো প্রিয়জন বা বন্ধুর মৃত্যুজনিত কারণে অনিদ্রা। - অ্যাসিড ফস (Acid Phos)
: তীব্র মানসিক আঘাত বা শকের ক্ষেত্রে ঘুম আনার জন্য প্রতি ১৫ মিনিট অন্তর অ্যাকোনাইটাম ন্যাপ ২০০ (Aconitum nap. 200) সেবন করান। ভয়, অতিরিক্ত উত্তেজনা বা মানসিক আঘাতের কারণে অনিদ্রা এবং অস্থিরতা। - অ্যাকোনাইট (Acon)
: সকালে ভালো ঘুম হয়। এটি শান্ত, শান্তিপূর্ণ ও সতেজকারী ঘুম আনে। - আলফালফা কিউ (Alfalfa Q), ১০ ফোঁটা
দুশ্চিন্তা বা ব্যবসায়িক সমস্যার কারণে অনিদ্রা। - অ্যাম্ব্রাগ্রিসিয়া (Ambragrisea)
বিশেষ করে গর্ভাবস্থা ও মেনোপজ বা রজোনিবৃত্তির সময় অনিদ্রা, সাথে স্নায়বিক মাথাব্যথা। - অ্যামোনিয়াম ভ্যাল ৩এক্স (Ammonium val 3x)
: অনিদ্রার রোগী ঘুম না হওয়ার কারণে ক্লান্ত বোধ করেন না। রাত ১টা থেকে ৩টার মধ্যে ঘুম ভেঙে যায় এবং ঘুম থেকে ওঠার পরও সতেজ বোধ করেন না। - অ্যাপিয়াম গ্রেভ (Apium grave)
: প্রতিদিন এক বা দুই ডোজ সেবনের ফলে ঘুম আসে। - অ্যাপোমর্ফিনাম মুর ৩সি (Apomorphinum mur. 3c)
: পরের দিনের কোনো ঘটনা, যেমন—সাক্ষাৎকার বা পরীক্ষার দুশ্চিন্তা থেকে অনিদ্রা। - আর্জেন্টাম নাইট্রিকাম (Argentum nitricum)
অতিরিক্ত শারীরিক বা মানসিক পরিশ্রমের কারণে অনিদ্রা। বিছানা খুব শক্ত মনে হয়; বিছানার নরম অংশ খোঁজার জন্য এপাশ-ওপাশ করতে থাকেন। - আর্নিকা (Arnica)
ঘুম আসতে দেরি হওয়া বা দুশ্চিন্তার কারণে রাত ২টার দিকে ঘুম ভেঙে যাওয়া। তীব্র অস্থিরতা এবং উঠে ঘরের মধ্যে পায়চারি করার প্রবল ইচ্ছা। ঘুম ঘুম ভাব থাকা সত্ত্বেও ঘুমাতে না পারা। শিশু এপাশ-ওপাশ করে এবং লাথি মেরে গায়ের কাপড় ফেলে দেয়। - আর্সেনিক অ্যালবাম (Arsenic album)
মদ্যপায়ী এবং মরফিন আসক্তিযুক্ত ব্যক্তিদের অনিদ্রা। - অ্যাভেনা স্যাটাইভা কিউ (Avena sativa Q), ১০ ফোঁটা
দুশ্চিন্তা ও অস্থিরতার কারণে মধ্যরাতের পর অনিদ্রা; রোগী বিছানা ছেড়ে উঠে পায়চারি করেন। গর্ভাবস্থায় অনিদ্রা। - বেলাডোনা (Belladonna)
ভোরবেলা ঘুম ভেঙে যায় এবং আর ঘুম আসে না, বিশেষ করে রাত ১-২টার পর। - বেলিস পার (Bellis per)
: ব্যবসায়িক দুশ্চিন্তার কারণে অনিদ্রা। - ব্রায়োনিয়া (Bryonia)
: খুব ঘুম পায় কিন্তু ঘুমানো যায় না; একগুঁয়ে ও তীব্র ধরনের অনিদ্রা। ১০ ফোঁটা করে সেবন করতে হবে। - ক্যানাবিস ইন্ডিকা, কিউ (Cannabis Ind, Q)
: পেটে ব্যথার (কলিক) কারণে যেসব শিশু ঘুমাতে পারে না, তাদের অনিদ্রা দূর করে। এটি ব্যথা নিরাময় করে এবং ঘুম আনে। - ক্যাটারিয়া নেপ, কিউ (Cataria Nep, Q)
গরমের কারণে ঘুম আসে না, বিশেষ করে প্রাকৃতিক গ্যাসচালিত হিটার বা গরম বাতাস চলাচলের কারণে ঘর শুষ্ক ও গরম হয়ে থাকলে। - কস্টিকাম (Causticum)
রাতের প্রথম ভাগে অনিদ্রা ও অস্থিরতা; রোগী বিছানা ছেড়ে উঠে হাঁটাচলা করে। - ক্যামোমিলা (Chamomilla)
: মাত্র এক ডোজ সেবনেই ঘুম আসে। ঘুম পায় কিন্তু ঘুমানো যায় না; অস্থিরতার কারণে এপাশ-ওপাশ করতে থাকে; স্নায়বিক কারণে অনিদ্রা। - চিনিনাম আর্স / অ্যাসিড মিউর (Chininum Ars / Acid Mur)
: মানসিক রোগ, হাঁপানি, হ্যালুসিনেশন (অলীক দর্শন) ও রাতের আতঙ্কে (night terrors) ভোগা রোগীদের জন্য এটি একটি শক্তিশালী নিদ্রাকারক ওষুধ। অতিরিক্ত ক্লান্তির কারণে অনিদ্রা। - ক্লোরালম (Chloralum)
দাঁত ওঠার সময় শিশুদের অনিদ্রা। - সিমিফুগা (Cimicifuga)
: ঘুম না হওয়ার ফলে সারাক্ষণ ঝিমুনি ও খিঁচুনিযুক্ত হাই তোলা; মাথা ঘোরা। - ককুলাস ইন্ডিকা (Cocculus Ind)
: আনন্দের খবর, সুখকর চমক বা অতিরিক্ত কাজের পর অনিদ্রা। দিনের ঘটনাগুলো বা সমস্যাগুলো মনের মধ্যে ঘুরপাক খেতে থাকে। খারাপ খবরের কারণেও এমনটা হতে পারে। রাতের শুরুর দিকে ঘুম আসে না। গর্ভাবস্থায় ও সন্তান প্রসবের পরে অনিদ্রা। - কফিয়া ক্রুডা (Coffea Cruda)
কঠিন পড়াশোনা বা রাত জাগার ফলে ঘুম না হওয়ায় চরম অবসাদ বা দুর্বলতা; শরীরের ভেতরটা ঠান্ডা অনুভূত হওয়া। - কলচিকাম (Colchicum)
স্নায়বিক ব্যথার (neuralgia) কারণে অনিদ্রা। - কোনিয়াম (Conium)
শরীরে খিঁচুনি বা পেশির টানের (cramps) কারণে অনিদ্রা। - কিউপ্রাম মেট (Cuprum Met)
: শিশুদের অনিদ্রা; শিশু রাতে ঘুম থেকে জেগে ওঠে এবং খেলাধুলা শুরু করে। - সাইপ্রিপেডিয়াম পাব (Cypripedium Pub)
: কঠোর পরিশ্রম ও পেশিতে ব্যথার কারণে অনিদ্রা। - হেলিওনিয়াস (Helonias)
: মানসিক চাপ ও উদ্বেগের কারণে অনিদ্রা বা অস্থির ঘুম; এটি স্বাভাবিক মানসিক কার্যকলাপে কোনো ব্যাঘাত ঘটায় না। - হাইপেরিকাম, কিউ (Hypericum Q)
: শোক বা মৃত্যুর মতো কোনো ঘটনার কারণে অনিদ্রা। ক্রমাগত হাই ওঠা এবং এই আশঙ্কা যে তিনি আর কখনোই ঘুমাতে পারবেন না। —ইগনেশিয়া আমারা
খাওয়ার পর ঝিমুনি ভাব। রাত ২টার দিকে ঘুম ভেঙে যায় এবং আর ঘুম আসে না। – কালি-কার্ব (Kali-carb)
অনিদ্রার একটি চমৎকার ওষুধ। রোগী দুর্বল ও স্নায়ুবিক দুর্বলতাগ্রস্ত। ব্যবসায়িক দুশ্চিন্তা ও মানসিক অস্থিরতার কারণে অনিদ্রা। – কালি-ফস (Kali-phos)
: রোগীর ঝিমুনি ভাব থাকে কিন্তু ঘুম আসে না। এর ব্যবহারে গভীর ও আচ্ছন্ন ভাবযুক্ত ঘুম হয়। হিস্টিরিয়া ও মদ্যপায়ীদের ক্ষেত্রে এটি বিশেষভাবে উপযোগী। – লুপুলাস ৩এক্স (Lupulus 3x)
ভোর ৪টার দিকে ঘুম ভেঙে যায় এবং অতিরিক্ত চিন্তাশীলতার কারণে আর ঘুমানো যায় না। – লাইকোপোডিয়াম (Lycopodium)
অজীর্ণ বা বদহজমের কারণে অনিদ্রা। – ম্যাগনেসিয়া ফস (Magnesium phos)
অতীতের শোক ও অপ্রীতিকর ঘটনার কারণে অনিদ্রা। – নেট্রাম মিউর (Natrum mur)
: অতিরিক্ত উত্তেজনা, ক্লান্তি ও মানসিক চাপের কারণে অনিদ্রা। রোগী অত্যন্ত খিটখিটে মেজাজের হয়। ঘুম আসে কিন্তু রাত ৩টা থেকে ৪টার মধ্যে ভেঙে যায়; কয়েক ঘণ্টা জেগে থাকার পর আবার স্বাভাবিক সময় পর্যন্ত ঘুমায়। সে অন্যদের দোষ-ত্রুটি খুব বেশি খোঁজে। মদ্যপান, মাদকাসক্তি বা অতিরিক্ত কফি পানের কারণে অনিদ্রা। – নাক্স ভমিকা (Nux vomica)
ঘুমানোর সময় অনিদ্রা ও অস্থিরতা থাকে, কিন্তু যখন ঘুম থেকে ওঠার সময় হয় তখন গভীর ঘুম হয়। শরীর অনাবৃত থাকলে শীত শীত এবং আবৃত থাকলে গরম অনুভূত হয়। – ওপিয়াম (Opium)
: মানসিক ভারসাম্যহীনতা ও দুশ্চিন্তার কারণে অনিদ্রা। শোয়ার সময় প্রতি ৩০ মিনিট অন্তর ১৫ ফোঁটা করে ওষুধ সেবন করতে হবে যতক্ষণ না ঘুম আসে; এটি স্বাভাবিক ঘুম নিয়ে আসে। – প্যাসিফ্লোরা কিউ (Passiflora Q)
: বয়স্কদের অনিদ্রা। – ফসফরাস (Phos)
: অনিদ্রার সাথে উদ্বেগ থাকলে এটি উপকারী, কারণ এটি উদ্বেগ ও অনিদ্রা উভয়ই দূর করে। এটি গভীর ও আরামদায়ক ঘুম আনে। – পাইপার মেথি ৩এক্স (Piper methy 3x)
দুশ্চিন্তা, স্নায়ুবিক উত্তেজনা, ঋতুস্রাবকালীন ব্যথা (ডিসমেনোরিয়া), কাশি ও শারীরিক ব্যথার কারণে অনিদ্রা। শোয়ার সময় ৩০-৪০ ফোঁটা ওষুধ সেবন করতে হবে। সাধারণত এক ডোজ ওষুধই দীর্ঘ ও নিরবচ্ছিন্ন ঘুম আনার জন্য যথেষ্ট। – পিসিসিডিয়া কিউ (Piscidia Q)
ধূমপায়ীদের অনিদ্রা। – প্ল্যান্টাগো (Plantago)
: ঘুম আসে কিন্তু গভীর ঘুম হয় না। বিছানা গরম মনে হয়। বিছানায় শীতল জায়গা খোঁজার জন্য অকারণে এপাশ-ওপাশ করতে থাকে। এমনকি ঘড়ির টিকটিক শব্দও বিরক্তিকর মনে হয়। গভীর রাতে খাওয়ার কারণে অনিদ্রা।-- পালসাটিলা
মাদক ও মদ্যপানে অভ্যস্তদের অনিদ্রা।- স্যাকালে কর
: মেনোপজ, জরায়ুর স্থানচ্যুতি বা মূত্র সংক্রান্ত সমস্যার কারণে অনিদ্রা। অপ্রীতিকর স্বপ্নসহ প্রচণ্ড ঘুমঘুম ভাব।- সেনেসিও অর
: হাড় ভাঙা বা আঘাতের কারণে অনিদ্রা।- স্টিকটা পাল
মানসিক অবসাদের কারণে অনিদ্রা।- ট্যাবাকাম
: রাতে চুলকানির কারণে অনিদ্রা। গর্ভাবস্থায় বা মেনোপজের সময় অনিদ্রা।- ভ্যালেরিয়ানা কিউ
দ্রষ্টব্য: কিছু ঘুমের সমস্যা শারীরিক কারণে হয়ে থাকে; সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে সেসব সমস্যার সমাধান করলে অনিদ্রা দূর হতে পারে। আবার কিছু সমস্যা ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে দেখা দেয়, যা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ পরিবর্তন করলে সমাধান করা সম্ভব। এছাড়া ঘুমের বাজে অভ্যাসের (যেমন—দিনের বেলা অতিরিক্ত সময় ধরে ঘুমানো) কারণেও ঘুমের সমস্যা হতে পারে; সচেতনতা ও প্রচেষ্টার মাধ্যমে এই অভ্যাসগুলো পরিবর্তন করা যায়। রাতে ভালো ঘুমের জন্য নিচে কিছু সহায়ক পরামর্শ দেওয়া হলো:
১. ঘুমের একটি নির্দিষ্ট সময়সূচি মেনে চলুন। প্রতিদিন সকালে একই সময়ে ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস শরীরের অভ্যন্তরীণ জৈবিক ঘড়িকে (biological clock) সুসংগত রাখে।
২. শোবার ঘরটি শুধুমাত্র ঘুমানোর জন্যই ব্যবহার করুন। বিছানায় শুয়ে বই পড়া, টিভি দেখা বা খাওয়া-দাওয়া করা থেকে বিরত থাকুন।
৩. বিছানায় যাওয়ার ২০ মিনিটের মধ্যে যদি ঘুম না আসে, তবে উঠে পড়ুন এবং ঘুম না আসা পর্যন্ত বই পড়ুন অথবা শান্ত বা মৃদু কোনো গান শুনুন।
৪. ঘুমানোর আগে ২০ থেকে ৩০ মিনিট ধরে হালকা গরম পানিতে গোসল করুন।
৫. ঘুমানোর ঠিক আগে এক গ্লাস দুধ (গরম বা ঠান্ডা) পান করুন।
৬. বিকেল ও সন্ধ্যায় ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় এবং চকলেট খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।
৭. ঘুমানোর আগে অ্যালকোহল পান করবেন না; এটি রাতে অনিদ্রার কারণ হতে পারে।
৮. দিনের বেলা শরীরচর্চা বা ব্যায়াম করুন, তবে ঘুমানোর ঠিক আগে ব্যায়াম করা থেকে বিরত থাকুন।
৯. সুইজারল্যান্ডের ‘সাইকিয়াট্রিক ইউনিভার্সিটি ক্লিনিক অফ ক্রোনোবায়োলজি অ্যান্ড স্লিপ ল্যাবরেটরি’-র গবেষণা দলের প্রধান ড. আনা উইর্জ-জাস্টিসের মতে, ঠান্ডা ঘরে ঘুমানোর সময় হাত ও পা উষ্ণ রাখলে দ্রুত ঘুম আসে।
DR. M.A.Rashid ( D.H.M.S)
Reg: 25238
Mob-01915-888883,01999-524451
Whatsapp- 01915-888883
On line treatment is open: contact: Mob-01915-888883, Whatsapp- 01915-888883
3R হোমিও হল
ডাঃ মোঃ আঃ রশিদ (হোমিও গবেষক)
বি কম, (ডি,এইচ,এম,এস,ঢাকা)
রেজি: নং ২৫২৩৮
ট্রেনিং ইন কেস টেকিং (abroad)
ট্রেনিং ইন সিঙ্গেল রেমেডি (abroad)
ট্রেনিং ইন ল্যাব ইনভেস্টিগেশন (abroad)
সেবা সমূহ:
মাইন্ড, ডায়াবেটিস, হাই ব্লাড প্রেসার, স্কিন, সেক্স, নাক, কান, গলা, HBsAg, lymph gland, ক্যান্সার, হেপাটাইটিস, মস্তিষ্কের টিউমার, বেস্ট টিউমার, বেস্ট ক্যান্সার, জরায়ু টিউমার, গলব্লাডার পাথর, কিডনি পাথর, লাইপোমা, টিউমার, প্যারালাইসিস, বাত, সন্ধিপ্রদাহ, টনসিল, এডিনোইড, সাইনুসাইটিস, স্কিন এলার্জি, কোল্ড এলার্জি, মাইগ্রেন, কোলেস্টরল, খুসকি, দন্ত শূল, সাদা স্রাব, শ্বেতী, নখকুনি, চুল পড়া,মাথার তালু গরম, সায়টিকা, লিভারসিরোসিস, নাক দিয়ে রক্ত পড়া, শ্বাসকষ্ট, কানে ভোঁভোঁ শব্দ, অনিয়মিত মাসিক ও ব্যাথাযুক্ত মাসিক, জরায়ু হতে রক্ত স্রাব, হাতের তালু জ্বলা, পায়ের তালু জ্বলা, হার্টব্লক, ধ্বজভঙ্গ রোগ সহ সকল প্রকার ক্রনিক ও জটিল রোগের চিকিৎসা ।
-: যোগাযোগ :-
ডাঃ মোঃ আঃ রশিদ
3R হোমিও হল
হাউজ- ৬৬ নিচ তলা, Learnistica School এর ভিতরে),
রোড- ১১, সেক্টর- ১৪, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০। মোবাইল: ০১৯৯৯-৫২৪৪৫১, ০১৯১৫-৮৮৮৮৮৩
WhatsApp- 01915-888883,
Visit: www.3rhomoeo.com
সময়: সকাল ১১:০০ থেকে ১:৩০, বিকাল: ৫:০০ থেকে ৯:৩০ টা পর্যন্ত (মোবাইল করে সময় নিবেন), শুক্রবার বন্ধ ।