Home About US About Homoeopathy About CT Case Taking Disease Traine System ️ Gallery Blog 📅 Book Appointment

দৃষ্টিশক্তি হ্রাস—অ্যাম্বলিওপিয়া (amblyopia)

📅 🏷️ homoeo

দৃষ্টিশক্তি হ্রাস—অ্যাম্বলিওপিয়া (amblyopia)
দৃষ্টিশক্তি হ্রাস—অ্যাম্বলিওপিয়া (amblyopia)
দৃষ্টিশক্তি হ্রাস—অ্যাম্বলিওপিয়া (amblyopia)


অ্যাম্বলিওপিয়া একটি গুরুতর দৃষ্টিগত সমস্যা যা মস্তিষ্ক এবং চোখ একসাথে সঠিকভাবে কাজ করতে ব্যর্থ হলে দেখা দেয়। এই সমস্যাটি সাধারণত একটি চোখকে প্রভাবিত করে, যদিও বিরল ক্ষেত্রে এটি উভয় চোখকেই প্রভাবিত করতে পারে। যখন কোনো শিশুর অ্যাম্বলিওপিয়া হয়, তখন তার মস্তিষ্ক ধীরে ধীরে আক্রান্ত চোখ থেকে সংকেত গ্রহণ করা বন্ধ করে দেয়, যার ফলে সেই চোখে দৃষ্টিশক্তি হ্রাস পায়।
এই সমস্যাটি শৈশবে, সাধারণত জন্ম থেকে ৭ বছর বয়সের মধ্যে দেখা দেয় এবং চিকিৎসা না করালে এটি আরও খারাপ হতে পারে। অ্যাম্বলিওপিয়ায় আক্রান্ত শিশুদের ক্ষেত্রে, মস্তিষ্ক দুর্বল চোখের দৃষ্টি সংকেত উপেক্ষা করে শক্তিশালী চোখের উপর বেশি নির্ভর করতে শুরু করে। এর ফলে দুটি চোখের দৃষ্টির গুণমানে একটি উল্লেখযোগ্য পার্থক্য তৈরি হয়।
চোখের চারপাশে নীলচে রঙ। কোটরগত চোখ। হলদেটে স্ক্লেরোটিকা। কালো ছোপ, উজ্জ্বল চোখ ধাঁধানো বিভ্রম; রক্তশূন্য রেটিনায় রাতকানা। চোখের সামনে দাগ। আলোভীতি। অক্ষিগোলকের বিকৃতি। মাঝে মাঝে সিলিয়ারি নিউরালজিয়া। চোখে চাপ।

আলোভীতি; সকালে অনেক বেশি বাড়ে। চোখের ভেতরের কোণে জ্বালাপোড়া ও শুষ্ক অনুভূতি। চোখের নিচের স্নায়ুশূল, সাথে চোখ দিয়ে জল পড়া। চোখের পেশীর আংশিক পক্ষাঘাত; তামাক ও উত্তেজক পদার্থে এর প্রকোপ বাড়ে। চোখের কোটরের খিঁচুনি যা মাথার পেছনের অংশের দিকে ছড়িয়ে পড়ে। অপটিক নিউরাইটিস।—নাক্স ভম।

দৃষ্টি কাঁচের মতো স্বচ্ছ বা ঝাপসা। সূর্যালোক সহ্য হয় না; সবকিছু রংধনু বা বর্ণিল আভার মতো দেখায়। চোখগুলো অস্বাভাবিক বড় বলে মনে হয়। যারা অতিরিক্ত হস্তমৈথুন করেন, তাদের ক্ষেত্রে দৃষ্টিশক্তি ক্ষীণ (অ্যাম্বলিওপিয়া) হতে পারে। অপটিক নার্ভ বা দর্শন স্নায়ুগুলো নিস্তেজ বলে মনে হয়। চোখের বলগুলো যেন কেউ জোর করে চেপে ধরে মাথার ভেতরে ঢুকিয়ে দিচ্ছে—এমন তীব্র ব্যথা অনুভূত হয়। — অ্যাসিড ফস (Acid Phos)

ছানি (Cataract)। মনে হয় সবকিছু যেন কুয়াশা, পর্দা বা ধুলোবালি দিয়ে ঢাকা, অথবা চোখের ওপর শক্ত কিছু টেনে দেওয়া হয়েছে। চোখের সামনে কালো বিন্দু ভাসতে দেখা যায়। হাত দিয়ে চোখ আড়াল করলে রোগী ভালো দেখতে পান। চোখ খুব বেশি ব্যবহার না করলেও চোখ ও মাথায় ক্লান্তি অনুভূত হয়। মোমবাতির আলোর চারপাশে সবুজ বলয় দেখা যায়। (অসমিয়াম - Osmium)। তামাকের অপব্যবহারের ফলে আংশিক দৃষ্টিশক্তি হ্রাস। (নাক্স ভমিকা - Nux Vomica)।

চোখের কোটরের হাড়গুলোতে ব্যথা। চোখের বাইরের পেশিগুলোর দুর্বলতা (Paresis)। দৃষ্টি অক্ষের বিচ্যুতিজনিত কারণে দ্বৈত দৃষ্টি (Diplopia)। অতিরিক্ত যৌন অভ্যাসের ফলে দৃষ্টিশক্তি সম্পূর্ণ লোপ পাওয়া (Amaurosis)। গ্লুকোমা। রেটিনার রক্তনালিতে রক্ত জমাট বাঁধা (Thrombosis) এবং রেটিনার কোষে অবক্ষয়জনিত পরিবর্তন। বয়স্ক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে রেটিনার অবক্ষয়, যেখানে ব্যথা অনুভূত হয় এবং দৃষ্টিপথে বাঁকানো রেখা দেখা যায়। রেটিনাজনিত সমস্যা, যার সাথে আলোর ঝলকানি ও দৃষ্টিবিভ্রম (Hallucination) যুক্ত থাকে। — ফসফরাস (Phosphorus)


চোখের ওপর অতিরিক্ত চাপের ফলে মাথাব্যথা। সেলাই করা বা ছোট অক্ষর পড়ার কারণে চোখ লাল হয়ে যাওয়া, গরম হওয়া ও ব্যথা করা। (ন্যাট্রাম মিউর - Nat. Mur.; আর্জেনটাম নাইট্রিকাম - Arg. Nit.)। চোখের ফোকাস করার ক্ষমতার (Accommodation) গোলযোগ। পড়ার সময় চোখে ক্লান্তিকর ব্যথা। চোখের কোটরের গভীরে চাপ অনুভূত হওয়া। চোখের পাতার তরুণাস্থি (Tarsal cartilage) থেঁতলে যাওয়ার মতো ব্যথা। ভ্রুর ওপর চাপ অনুভূত হওয়া। চোখের পেশির দুর্বলতা বা ক্লান্তি (Asthenopia)। — রুটা (Ruta)

হঠাৎ দৃষ্টিশক্তি ঝাপসা হয়ে যাওয়া। বর্ণান্ধতা (Color blindness); সবকিছু হলুদ রঙের দেখা (Xanthopsia)। কৃমির কারণে চোখ টেরা হয়ে যাওয়া (Strabismus)। চোখের চারপাশে কালো বলয়। — স্যান্টিন (Santin)

দৃষ্টি ঝাপসা হওয়া; অপটিক ডিস্ক রক্তাধিক্যপূর্ণ (Hyperaemic) হওয়া এবং রেটিনার রক্তনালিগুলো বড় হয়ে যাওয়া। চোখে টান লাগার মতো অনুভূতি; চোখ ব্যবহার করলে এই সমস্যা আরও বাড়ে। চোখ ভারী ও নিস্তেজ বোধ হওয়া; চোখের পেশিগুলোতে ক্লান্তি ও টান অনুভূত হওয়া। চোখের অভ্যন্তরীণ পেশিগুলোর দুর্বলতা (Paresis)। চোখের গোলক ও অক্ষিকোটরের মধ্যবর্তী স্থানে ব্যথা, যা বাম দিকের রগ (টেম্পল) পর্যন্ত বিস্তৃত হয়।– onos

টেরিজিয়াম (চোখের ওপর মাংসপিণ্ড); জ্বালা করা, চোখ দিয়ে জল পড়া, চুলকানি। মাথার ভেতর কোনো কিছু চেপে বসছে এমন অনুভূতি। চোখের পাতা ও চোখের ভেতরের কোণে চুলকানি ও ব্যথা। চোখের পাতা ঝুলে পড়া (ptosis)। চোখ এদিক-ওদিক ঘোরানো। দৃষ্টিশক্তির অর্ধেক ঝাপসা হয়ে যাওয়া; উত্তেজক কিছু গ্রহণ করলে অবস্থার অবনতি হয়। চোখ টেরা হয়ে যাওয়া (squinting)। তীব্র মাথাব্যথাসহ দৃষ্টিশক্তিহীনতা (amaurosis)। কনজাংটিভা লাল ও প্রদাহযুক্ত হওয়া; বিশেষ করে চোখের ভেতরের কোণের দিকে অবস্থার অবনতি ঘটে।– zinc met
← ফিরে যান