লিম্ফ্যাটিক গ্রন্থি বা লসিকা গ্রন্থি ফুলে যাওয়া-
লিম্ফ্যাটিক গ্রন্থি বা লসিকা গ্রন্থি ফুলে যাওয়া-
থাইরয়েড গ্রন্থি ফুলে যাওয়া; থাইরয়েড গ্রন্থির পুরনো, শক্ত বা নরম (ময়দার তাল-এর মতো) ফোলা ভাব এবং বড় গলগণ্ড (goiter) কমে যাওয়া বা মিলিয়ে যাওয়া – আয়োড (Iodum)
ঘাড়ের গ্রন্থি ফুলে যাওয়া; ঘাড় ও ঘাড়ের পেছনের দিকের (ঘাড়ের পিছনভাগ বা nape) গ্রন্থির ফোলা ভাব স্থায়ীভাবে দূর হওয়া – আয়োড (Iodum)
ঘাড়ের গ্রন্থি ফুলে যাওয়া – ন্যাট-কার্ব (Nat-carb)
গ্রন্থি প্রদাহযুক্ত ও শক্ত হয়ে যাওয়া – সিস্টাস (Cistus)
এটি একটি গভীর ক্রিয়াশীল অ্যান্টি-সোরিক (anti-psoric) ওষুধ; গ্রন্থির সমস্যা, হার্পিস-জাতীয় ফুসকুড়ি এবং দীর্ঘস্থায়ী ফোলা ভাবের ক্ষেত্রে এর বিশেষ কার্যকারিতা রয়েছে। রোগী ঠান্ডার প্রতি অত্যন্ত সংবেদনশীল হয়। শরীরের বিভিন্ন অংশে ঠান্ডা অনুভূতির প্রবণতা থাকে। ঘাড়ের গ্রন্থির মারাত্মক বা ম্যালিগন্যান্ট (malignant) রোগ। নাসো-ফ্যারিংস বা নাক ও গলার সংযোগস্থলের ওপর সিস্টাস-এর বিশেষ প্রভাব রয়েছে; নাকের পেছনের অংশে শুরু হওয়া সর্দি বা ঠান্ডা লাগার সমস্যাকে এটি শুরুতেই থামিয়ে দেয়। – সিস্টাস (Cistus)
এটি বিশেষ করে গ্রন্থি ফুলে যাওয়া স্ক্রোফুলাস (scrofulous) বা লসিকাগ্রন্থির যক্ষ্মা-প্রবণ শিশুদের ওপর প্রভাব ফেলে বলে মনে হয়। প্যারোটিড গ্রন্থি ফুলে যাওয়া এবং গলগণ্ড (goitre)। খিঁচুনি বা আক্ষেপজনিত আক্রমণের প্রবণতা। বাম দিকের মাম্পস (mumps)। গ্রন্থি ফুলে শক্ত হয়ে যাওয়ার প্রবণতা, তবে খুব কমই পুঁয বা পুঁজ জমে (suppurate)। – ব্রোমিয়াম (Bromium)
পর্যায়ক্রমিক টনসিলাইটিস বা কুইন্সি (quinsy)। টনসিলে পিন বা সুঁই ফোটানোর মতো অনুভূতি। সর্দি বা ঠান্ডা লাগার সমস্যা গলায় গিয়ে বসে। প্যারোটিড গ্রন্থি ফুলে যাওয়া। কিছু গিলতে গেলে হুল ফোটানোর মতো ব্যথা। ঘাড়ের গ্রন্থি শক্ত ও ঠান্ডা হয়ে ফুলে যাওয়া। – সিলিসিয়া (Silicea)
লিম্ফ্যাটিক গ্রন্থি এবং ত্বকের গ্রন্থির প্রদাহ, ফোলা ভাব ও পুঁয জমা – সিলিসিয়া (Silicea)
পুঁয নিঃসরণ – ক্যালকেরিয়া সালফ (Calcarea Sulph)
লিম্ফ্যাটিক গ্রন্থির দীর্ঘস্থায়ী বৃদ্ধি বা ফোলা ভাব – সিলিসিয়া (Silicea)
লিম্ফ্যাটিক বা লসিকা নালীর প্রদাহ – সিলিসিয়া (Silicea)
লিম্ফ্যাটিক নালীর প্রদাহ – ক্যালি মিউর (Kali Mur), ক্যালি ফস (Kali Phos), সিলিসিয়া (Silicea)
গ্রন্থিতে তীব্র প্রদাহ ও তরল জমা (infiltration); শক্ত ফোলা ভাব – ক্যালি মিউর (Kali Mur)
ফোলা ভাব – ন্যাটরাম ফস (Natrum Phos), সিলিসিয়া (Silicea)
শক্ত হওয়ার আগের পর্যায় – ন্যাটরাম ফস (Natrum Phos) লিম্ফ্যাটিক গ্রন্থির ফোলা ভাব ও ফোড়া (অ্যাবসেস), এমনকি ফিস্টুলা বা নালীযুক্ত ক্ষতের ক্ষেত্রেও—সিলিসিয়া (Silicea)।
লিম্ফ্যাটিক ও সিবাসিয়াস (তৈলগ্রন্থি) গ্রন্থির দীর্ঘস্থায়ী ফোলা বা প্রদাহ, যার সাথে কোনো ঝিল্লি বা পর্দা থেকে জলীয় নিঃসরণ থাকে—ন্যাট্রাম মিউর (Natrum Mur.)।
কড়কড় শব্দ (crackling noise)। কানের চারপাশের গ্রন্থিগুলো ব্যথাযুক্ত ও ফোলা। টনসিল সবসময় ফোলা থাকে। যারা টনসিলের তীব্র প্রদাহ বা 'কুইন্সি' (quinsy)-তে ভোগেন এবং যাতে পুঁজ জমার প্রবণতা থাকে—বেরাইটা কার্ব (Baryta Carb)।
শক্ত বা পুঁজযুক্ত গ্রন্থি—ক্যালকেরিয়া সালফ (Calcarea Sulph.)।
শক্ত হয়ে যাওয়া গ্রন্থি—ক্যালকেরিয়া ফ্লোর (Calcarea Fluor.) ৬এক্স (6x) বা ৩০এক্স (30x)।
ক্যালকেরিয়া সালফ, ক্যালি মিউর, সিলিসিয়া।
পাথরের মতো শক্ত গ্রন্থি—ক্যালকেরিয়া ফ্লোর। স্তন, ঘাড় বা শরীরের অন্যান্য অংশের গ্রন্থির প্রদাহ ও শক্ত হয়ে যাওয়ার (induration) ক্ষেত্রে এটি উপকারী, বিশেষ করে যখন তা পাথরের মতো শক্ত হয়।
পুঁজযুক্ত গ্রন্থি—ক্যালকেরিয়া সালফ ১২এক্স, ন্যাট্রাম ফস (নিম্ন শক্তি), সিলিসিয়া (উচ্চ শক্তি/২০০এক্স)।
দীর্ঘদিন ধরে নিঃসরণ বা পুঁজ পড়া; নিঃসরণ বন্ধ করতে—সিলিসিয়া।
গ্রন্থি বড় হয়ে যাওয়া—বিশেষ করে ঘাড়ের (সার্ভাইকাল) গ্রন্থি—সিলিসিয়া।
শক্ত বা পুঁজযুক্ত গ্রন্থি—ক্যালকেরিয়া সালফ।
গ্রন্থির রোগ: গ্রন্থি প্রদাহযুক্ত, শক্ত ও পুঁজযুক্ত—সিলিসিয়া।
পুঁজ জমা রোধ করতে—ক্যালকেরিয়া সালফ (উচ্চ শক্তি), পুঁজ তৈরির আগেই।
পুঁজযুক্ত গ্রন্থি, সাথে ঘন, হলুদ ও দুর্গন্ধযুক্ত পুঁজ বা নিঃসরণ—সিলিসিয়া।
থাইরয়েড গ্রন্থি ফুলে যাওয়া; থাইরয়েড গ্রন্থির পুরনো, শক্ত বা নরম (ময়দার তাল-এর মতো) ফোলা ভাব এবং বড় গলগণ্ড (goiter) কমে যাওয়া বা মিলিয়ে যাওয়া – আয়োড (Iodum)
ঘাড়ের গ্রন্থি ফুলে যাওয়া; ঘাড় ও ঘাড়ের পেছনের দিকের (ঘাড়ের পিছনভাগ বা nape) গ্রন্থির ফোলা ভাব স্থায়ীভাবে দূর হওয়া – আয়োড (Iodum)
ঘাড়ের গ্রন্থি ফুলে যাওয়া – ন্যাট-কার্ব (Nat-carb)
গ্রন্থি প্রদাহযুক্ত ও শক্ত হয়ে যাওয়া – সিস্টাস (Cistus)
এটি একটি গভীর ক্রিয়াশীল অ্যান্টি-সোরিক (anti-psoric) ওষুধ; গ্রন্থির সমস্যা, হার্পিস-জাতীয় ফুসকুড়ি এবং দীর্ঘস্থায়ী ফোলা ভাবের ক্ষেত্রে এর বিশেষ কার্যকারিতা রয়েছে। রোগী ঠান্ডার প্রতি অত্যন্ত সংবেদনশীল হয়। শরীরের বিভিন্ন অংশে ঠান্ডা অনুভূতির প্রবণতা থাকে। ঘাড়ের গ্রন্থির মারাত্মক বা ম্যালিগন্যান্ট (malignant) রোগ। নাসো-ফ্যারিংস বা নাক ও গলার সংযোগস্থলের ওপর সিস্টাস-এর বিশেষ প্রভাব রয়েছে; নাকের পেছনের অংশে শুরু হওয়া সর্দি বা ঠান্ডা লাগার সমস্যাকে এটি শুরুতেই থামিয়ে দেয়। – সিস্টাস (Cistus)
এটি বিশেষ করে গ্রন্থি ফুলে যাওয়া স্ক্রোফুলাস (scrofulous) বা লসিকাগ্রন্থির যক্ষ্মা-প্রবণ শিশুদের ওপর প্রভাব ফেলে বলে মনে হয়। প্যারোটিড গ্রন্থি ফুলে যাওয়া এবং গলগণ্ড (goitre)। খিঁচুনি বা আক্ষেপজনিত আক্রমণের প্রবণতা। বাম দিকের মাম্পস (mumps)। গ্রন্থি ফুলে শক্ত হয়ে যাওয়ার প্রবণতা, তবে খুব কমই পুঁয বা পুঁজ জমে (suppurate)। – ব্রোমিয়াম (Bromium)
পর্যায়ক্রমিক টনসিলাইটিস বা কুইন্সি (quinsy)। টনসিলে পিন বা সুঁই ফোটানোর মতো অনুভূতি। সর্দি বা ঠান্ডা লাগার সমস্যা গলায় গিয়ে বসে। প্যারোটিড গ্রন্থি ফুলে যাওয়া। কিছু গিলতে গেলে হুল ফোটানোর মতো ব্যথা। ঘাড়ের গ্রন্থি শক্ত ও ঠান্ডা হয়ে ফুলে যাওয়া। – সিলিসিয়া (Silicea)
লিম্ফ্যাটিক গ্রন্থি এবং ত্বকের গ্রন্থির প্রদাহ, ফোলা ভাব ও পুঁয জমা – সিলিসিয়া (Silicea)
পুঁয নিঃসরণ – ক্যালকেরিয়া সালফ (Calcarea Sulph)
লিম্ফ্যাটিক গ্রন্থির দীর্ঘস্থায়ী বৃদ্ধি বা ফোলা ভাব – সিলিসিয়া (Silicea)
লিম্ফ্যাটিক বা লসিকা নালীর প্রদাহ – সিলিসিয়া (Silicea)
লিম্ফ্যাটিক নালীর প্রদাহ – ক্যালি মিউর (Kali Mur), ক্যালি ফস (Kali Phos), সিলিসিয়া (Silicea)
গ্রন্থিতে তীব্র প্রদাহ ও তরল জমা (infiltration); শক্ত ফোলা ভাব – ক্যালি মিউর (Kali Mur)
ফোলা ভাব – ন্যাটরাম ফস (Natrum Phos), সিলিসিয়া (Silicea)
শক্ত হওয়ার আগের পর্যায় – ন্যাটরাম ফস (Natrum Phos) লিম্ফ্যাটিক গ্রন্থির ফোলা ভাব ও ফোড়া (অ্যাবসেস), এমনকি ফিস্টুলা বা নালীযুক্ত ক্ষতের ক্ষেত্রেও—সিলিসিয়া (Silicea)।
লিম্ফ্যাটিক ও সিবাসিয়াস (তৈলগ্রন্থি) গ্রন্থির দীর্ঘস্থায়ী ফোলা বা প্রদাহ, যার সাথে কোনো ঝিল্লি বা পর্দা থেকে জলীয় নিঃসরণ থাকে—ন্যাট্রাম মিউর (Natrum Mur.)।
কড়কড় শব্দ (crackling noise)। কানের চারপাশের গ্রন্থিগুলো ব্যথাযুক্ত ও ফোলা। টনসিল সবসময় ফোলা থাকে। যারা টনসিলের তীব্র প্রদাহ বা 'কুইন্সি' (quinsy)-তে ভোগেন এবং যাতে পুঁজ জমার প্রবণতা থাকে—বেরাইটা কার্ব (Baryta Carb)।
শক্ত বা পুঁজযুক্ত গ্রন্থি—ক্যালকেরিয়া সালফ (Calcarea Sulph.)।
শক্ত হয়ে যাওয়া গ্রন্থি—ক্যালকেরিয়া ফ্লোর (Calcarea Fluor.) ৬এক্স (6x) বা ৩০এক্স (30x)।
ক্যালকেরিয়া সালফ, ক্যালি মিউর, সিলিসিয়া।
পাথরের মতো শক্ত গ্রন্থি—ক্যালকেরিয়া ফ্লোর। স্তন, ঘাড় বা শরীরের অন্যান্য অংশের গ্রন্থির প্রদাহ ও শক্ত হয়ে যাওয়ার (induration) ক্ষেত্রে এটি উপকারী, বিশেষ করে যখন তা পাথরের মতো শক্ত হয়।
পুঁজযুক্ত গ্রন্থি—ক্যালকেরিয়া সালফ ১২এক্স, ন্যাট্রাম ফস (নিম্ন শক্তি), সিলিসিয়া (উচ্চ শক্তি/২০০এক্স)।
দীর্ঘদিন ধরে নিঃসরণ বা পুঁজ পড়া; নিঃসরণ বন্ধ করতে—সিলিসিয়া।
গ্রন্থি বড় হয়ে যাওয়া—বিশেষ করে ঘাড়ের (সার্ভাইকাল) গ্রন্থি—সিলিসিয়া।
শক্ত বা পুঁজযুক্ত গ্রন্থি—ক্যালকেরিয়া সালফ।
গ্রন্থির রোগ: গ্রন্থি প্রদাহযুক্ত, শক্ত ও পুঁজযুক্ত—সিলিসিয়া।
পুঁজ জমা রোধ করতে—ক্যালকেরিয়া সালফ (উচ্চ শক্তি), পুঁজ তৈরির আগেই।
পুঁজযুক্ত গ্রন্থি, সাথে ঘন, হলুদ ও দুর্গন্ধযুক্ত পুঁজ বা নিঃসরণ—সিলিসিয়া।