কানে ব্যথা (Otalgia)
কানে ব্যথা (Otalgia)
অতিরিক্ত গরম বা ঠান্ডার কারণে কানে ব্যথা; প্রাথমিক পর্যায়ে অত্যন্ত কার্যকর। - Aconite (অ্যাকোনাইট)
হাঁচি বা নাক ঝাড়ার সময় কানে দপদপ করা ব্যথা। - Actaea spicata (অ্যাক্টিয়া স্পাইকাটা)
কানে আঙুল দিয়ে খোঁচা দিলে বা চাপ দিলে ব্যথা কমে। - Aethusa cynapium (ইথুসা সাইনাপিয়াম)
বহিঃকর্ণ ও মধ্যকর্ণ লাল হয়ে যাওয়া এবং হঠাৎ অসহনীয় ব্যথা। - Belladonna (বেলেডোনা)
কানের পর্দা ফেটে যাওয়ার কারণে ব্যথা; রাতে ব্যথা বেড়ে যায়। - Capsicum (ক্যাপসিকাম)
শিশুদের কানে ব্যথার জন্য একটি চমৎকার ওষুধ; কানের ব্যথা অসহনীয় হয়। - Chamomilla (ক্যামোমিলা)
রজোনিবৃত্তির (menopause) সময় কানে ব্যথা। - Gelsemium (জেলসেমিয়াম)
কানে ফোড়া বা পুঁজ-জমা ব্যথার কারণে ব্যথা; রোগী কান স্পর্শ করতে দেয় না কারণ স্পর্শ করলে ব্যথা বেড়ে যায়। ঠান্ডা ও শুষ্ক বাতাসের সংস্পর্শে কানে ব্যথা। - Hepar sulph (হেপার সালফ)
কানে ছত্রাক সংক্রমণের (সাধারণত কালো বা সাদা রঙের) ফলে সৃষ্ট ছিঁড়ে ফেলার মতো ব্যথা নিরাময় করে। - Lachesis 200 (ল্যাকেসিস ২০০)
গরম সেঁক দিলে বা কানে হাত রাখলে ব্যথা উপশম হলে প্রতি আধা ঘণ্টা অন্তর গরম জলের সাথে ৩টি দানা (globules) সেবন করান। - Magnesia phos Q (ম্যাগনেশিয়া ফস Q)
কানের ব্যথা থেকে উপশম দেয়; কানে কয়েক ফোঁটা দিন। কানে দেওয়ার জন্য সমপরিমাণ ভারবাসকাম তেলের (Verbascum oil) সাথে মেশানো যেতে পারে। - Plantago (প্ল্যান্টাগো)
ওটাইটিস মিডিয়া (মধ্যকর্ণের প্রদাহ) - যখন কানের পর্দা খড়ের মতো রঙের হয় এবং ব্যথা শিশুকে খুব একটা কষ্ট দেয় না। - Pulsatilla (পালসেটিলা)
পুঁজযুক্ত নিঃসরণসহ কানে ব্যথা। - Pyrogenium (পাইরোজেনিয়াম)
যখন কানে ব্যথা দীর্ঘস্থায়ী হয় এবং অন্য কোনো ওষুধে উপশম পাওয়া যায় না, তখন এই ওষুধটি দিন। - Tuberculinum 1M (টিউবারকুলিনাম 1M)
ঠান্ডা বাতাস বা ঠান্ডার সংস্পর্শে কানে ব্যথা। - Valeriana Q (ভ্যালেরিয়ানা Q)
কানে ব্যথা ও বন্ধ ভাব বা কিছু আটকে থাকার অনুভূতি; অভ্যন্তরীণভাবে ৩০ শক্তিমাত্রা (potency) ব্যবহার করুন। মধ্যকর্ণে শুষ্ক আঁশ ও চুলকানি; বাহ্যিকভাবে তেল এবং মুখে খাওয়ার জন্য ৩০ শক্তিমাত্রা ব্যবহার করুন। - Verbascum oil (ভারবাসকাম অয়েল)
দ্রষ্টব্য: মধ্যকর্ণ ইউস্টেশিয়ান নালীর (eustachian tube) মাধ্যমে গলার সাথে সংযুক্ত থাকে। বায়ুমণ্ডলের চাপের পরিবর্তনের সময় মধ্যকর্ণে বাতাস চলাচলের জন্য এটি কাজ করে। কখনও কখনও এই পথের মাধ্যমে ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস কানে প্রবেশ করে ওটাইটিস মিডিয়া এবং কান দিয়ে নিঃসরণ বা পুঁজ পড়ার কারণ হতে পারে।
অতিরিক্ত গরম বা ঠান্ডার কারণে কানে ব্যথা; প্রাথমিক পর্যায়ে অত্যন্ত কার্যকর। - Aconite (অ্যাকোনাইট)
হাঁচি বা নাক ঝাড়ার সময় কানে দপদপ করা ব্যথা। - Actaea spicata (অ্যাক্টিয়া স্পাইকাটা)
কানে আঙুল দিয়ে খোঁচা দিলে বা চাপ দিলে ব্যথা কমে। - Aethusa cynapium (ইথুসা সাইনাপিয়াম)
বহিঃকর্ণ ও মধ্যকর্ণ লাল হয়ে যাওয়া এবং হঠাৎ অসহনীয় ব্যথা। - Belladonna (বেলেডোনা)
কানের পর্দা ফেটে যাওয়ার কারণে ব্যথা; রাতে ব্যথা বেড়ে যায়। - Capsicum (ক্যাপসিকাম)
শিশুদের কানে ব্যথার জন্য একটি চমৎকার ওষুধ; কানের ব্যথা অসহনীয় হয়। - Chamomilla (ক্যামোমিলা)
রজোনিবৃত্তির (menopause) সময় কানে ব্যথা। - Gelsemium (জেলসেমিয়াম)
কানে ফোড়া বা পুঁজ-জমা ব্যথার কারণে ব্যথা; রোগী কান স্পর্শ করতে দেয় না কারণ স্পর্শ করলে ব্যথা বেড়ে যায়। ঠান্ডা ও শুষ্ক বাতাসের সংস্পর্শে কানে ব্যথা। - Hepar sulph (হেপার সালফ)
কানে ছত্রাক সংক্রমণের (সাধারণত কালো বা সাদা রঙের) ফলে সৃষ্ট ছিঁড়ে ফেলার মতো ব্যথা নিরাময় করে। - Lachesis 200 (ল্যাকেসিস ২০০)
গরম সেঁক দিলে বা কানে হাত রাখলে ব্যথা উপশম হলে প্রতি আধা ঘণ্টা অন্তর গরম জলের সাথে ৩টি দানা (globules) সেবন করান। - Magnesia phos Q (ম্যাগনেশিয়া ফস Q)
কানের ব্যথা থেকে উপশম দেয়; কানে কয়েক ফোঁটা দিন। কানে দেওয়ার জন্য সমপরিমাণ ভারবাসকাম তেলের (Verbascum oil) সাথে মেশানো যেতে পারে। - Plantago (প্ল্যান্টাগো)
ওটাইটিস মিডিয়া (মধ্যকর্ণের প্রদাহ) - যখন কানের পর্দা খড়ের মতো রঙের হয় এবং ব্যথা শিশুকে খুব একটা কষ্ট দেয় না। - Pulsatilla (পালসেটিলা)
পুঁজযুক্ত নিঃসরণসহ কানে ব্যথা। - Pyrogenium (পাইরোজেনিয়াম)
যখন কানে ব্যথা দীর্ঘস্থায়ী হয় এবং অন্য কোনো ওষুধে উপশম পাওয়া যায় না, তখন এই ওষুধটি দিন। - Tuberculinum 1M (টিউবারকুলিনাম 1M)
ঠান্ডা বাতাস বা ঠান্ডার সংস্পর্শে কানে ব্যথা। - Valeriana Q (ভ্যালেরিয়ানা Q)
কানে ব্যথা ও বন্ধ ভাব বা কিছু আটকে থাকার অনুভূতি; অভ্যন্তরীণভাবে ৩০ শক্তিমাত্রা (potency) ব্যবহার করুন। মধ্যকর্ণে শুষ্ক আঁশ ও চুলকানি; বাহ্যিকভাবে তেল এবং মুখে খাওয়ার জন্য ৩০ শক্তিমাত্রা ব্যবহার করুন। - Verbascum oil (ভারবাসকাম অয়েল)
দ্রষ্টব্য: মধ্যকর্ণ ইউস্টেশিয়ান নালীর (eustachian tube) মাধ্যমে গলার সাথে সংযুক্ত থাকে। বায়ুমণ্ডলের চাপের পরিবর্তনের সময় মধ্যকর্ণে বাতাস চলাচলের জন্য এটি কাজ করে। কখনও কখনও এই পথের মাধ্যমে ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস কানে প্রবেশ করে ওটাইটিস মিডিয়া এবং কান দিয়ে নিঃসরণ বা পুঁজ পড়ার কারণ হতে পারে।