back ache
পিঠের ব্যথা—back pain
পেটের ওপর ভর দিয়ে শুলে যে পিঠের ব্যথা কমে। - অ্যাসিটিকাম অ্যাসিডাম (Aceticum acidum)
শীতল ও শুষ্ক বাতাসের সংস্পর্শে হঠাৎ পিঠে ব্যথা। কোমরের নিচের অংশে আড়ষ্টতা ও তীব্র বিঁধে যাওয়ার মতো ব্যথা। - অ্যাকোনাইট (Aconite)
কোষ্ঠকাঠিন্য ও অর্শ বা পাইলসের কারণে কোমরের নিচের অংশে ব্যথা। দাঁড়িয়ে থাকলে রোগী আরাম বোধ করেন। অতিরিক্ত পরিশ্রমজনিত পিঠের ব্যথা। - এসকুলাস হিপ (Aesculus hip)
পুরো মেরুদণ্ডে আড়ষ্টতা। তীব্র বিঁধে যাওয়া ও জ্বালাপোড়া করা ব্যথা, যা সামনের দিকে ঝুঁকলে বা কুঁজো হলে বেড়ে যায়। পিঠে যেন ঠান্ডা সুঁই ফোটানো হচ্ছে এমন অনুভূতি। - অ্যাগারিকাস (Agaricus)
কোমরের অংশে (লাম্বার রিজিয়ন) ব্যথা। - অ্যামন কার্ব (Ammon carb)
ক্লান্তি বা অবসাদজনিত পিঠের ব্যথা, বিশেষ করে কোমরের নিচের অংশে। নড়াচড়া করলে বমি ভাব বা বমি হতে পারে। - অ্যান্টি-টার্ট (Ant-tart)
অতিরিক্ত পরিশ্রম বা কোনো দুর্ঘটনার কারণে পিঠের ব্যথা। - আর্নিকা (Arnica)
কিডনিতে পাথর বা মূত্রনালীর সমস্যার কারণে পিঠের ব্যথা। ব্যথা সব দিকে ছড়িয়ে পড়ে এবং অসাড়তা অনুভূত হয়। মাসিকের সময় পিঠে ব্যথা ও অসাড়তা। - বারবেরিস ভালগারিস (Berberis vul)
নড়াচড়ায় পিঠের ব্যথা বেড়ে যায় এবং বিশ্রাম ও চাপে উপশম হয়। - ব্রায়োনিয়া (Bryonia)
বসা অবস্থা থেকে ওঠার সময় পিঠের ব্যথা এবং পুরনো আঘাতজনিত ব্যথা। আর্নিকা ব্যবহারের পরেও এটি দেওয়া যেতে পারে। নদী বা হ্রদে স্নান করার ফলে পিঠের ব্যথা। কোমরের নিচের অংশে ব্যথা ও দুর্বলতা।
ঘাড়ের পেছনের অংশ শক্ত ও আড়ষ্ট। - ক্যালকেরিয়া কার্ব (Calcarea carb)
কোমরের নিচের অংশে দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা; নড়াচড়া শুরু করলে বেড়ে যায় এবং ক্রমাগত নড়াচড়ায় কমে। বিশ্রামের সময় ব্যথা বাড়ে এবং তাপ বা গরম সেঁক দিলে উপশম হয়। - ক্যালকেরিয়া ফ্লোর (Calcarea fluor)
শ্বেতপ্রদর বা লিউকোরিয়া জনিত পিঠের ব্যথা। পিঠের নিচে শক্ত কিছু রাখলে আরাম পাওয়া যায়। - ক্যালকেরিয়া ফস / ন্যাট-মিউর (Calcarea phos / Nat-mur)
যৌন মিলনের পর পিঠের ব্যথা। - ক্যানাবিস ইন্ডিকা (Cannabis ind)
মাসিকের সময় পিঠে ব্যথা। বসে থাকার সময় কোমরের নিচের অংশে ও কিডনির এলাকায় চাপ ধরা বা খিঁচুনির মতো ব্যথা; উঠে দাঁড়ালে উপশম হয়। - কস্টিকাম (Causticum)
পিঠের ব্যথা যা হাঁটুর পেছনের গর্ত পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। সকালে এবং বসে থাকলে ব্যথা বাড়ে; দাঁড়িয়ে থাকলে কমে। - চায়না (China)
পিঠ, ঘাড় ও স্যাক্রাল অঞ্চলে বাতজনিত ব্যথা যা উরু পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। স্ক্যাপুলা (কাঁধের হাড়) ও ডান কাঁধে ব্যথা। অস্থিরতা ও অনিদ্রা। পেলভিক অঞ্চলে ব্যথা। তাপ ও আহারে ব্যথা কমে। - সিমিফুগা (Cimicifuga)
পিঠ, নিতম্ব ও উরুতে ব্যথা। স্যাক্রাম বা ত্রিকাস্থি বরাবর তীব্র জ্বালা—কোলোসিন্থিস (Colocynthis)
সহবাসজনিত পিঠব্যথা; মেরুদণ্ডে আঘাত বা ঝাঁকুনিজনিত পিঠব্যথা—কোনিয়াম (Conium)
স্যাঁতসেঁতে বাড়িতে বা বেসমেন্টে বসবাসের কারণে পিঠব্যথা—ডালকামারা (Dulcamara) / নেট্রাম সালফ (Natrum Sulph)
মেরুদণ্ডের হাড়ের ব্যথার কারণে পিঠে ব্যথা।—ইউপেটোরিয়াম পারফোলিয়েটাম (Eupatorium perf.)
তীব্র পিঠ ব্যথা; ব্যথা শ্রোণিদেশ (pelvis) পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। পিঠ ব্যথার সাথে হলদেটে শ্বেতপ্রদর (leucorrhea) দেখা দেয়, যা মাসিকের পরে আরও বেড়ে যায়। জোরে চাপ দিলে ব্যথা উপশম হয়।—ইউপিওনাম (Eupionum)
পিঠ ও ঘাড়ের পেশিতে দীর্ঘস্থায়ী বাতজনিত সমস্যা। একটানা নড়াচড়ায় ব্যথা বাড়ে, বিশ্রামে (বিশেষ করে চিত হয়ে শুয়ে থাকলে) কমে। পিঠ ব্যথা যত পুরনো হয়, এই ওষুধটি তত বেশি কার্যকর। ব্যথা বা অসাড়তার (numbness) সাথে যুক্ত হলে এটি বিশেষ উপকারী।—ন্যাফালিয়াম (Gnaphalium)
স্নায়ুর আঘাতজনিত কারণে পিঠ ব্যথা। কক্সিক্স বা মেরুদণ্ডের শেষ হাড়ের ওপর পড়ে যাওয়ার পর তীব্র ব্যথা এবং হাঁটা বা সামনের দিকে ঝুঁকে পড়ার অক্ষমতা।—হাইপেরিকাম (Hypericum)
পিঠের নিচের অংশে ব্যথা এবং গর্ভবতী নারীদের পিঠ ব্যথা। ব্যথা অবিরাম থাকে এবং পিঠ ও পা যেন অচল হয়ে পড়ে; রোগীকে বসে পড়তে হয়। ঘাম হওয়া।—কালি-কার্ব (Kali-carb)
অসাড়তা বা অবশ ভাবসহ পিঠ ব্যথা। ব্যথা স্ক্যাপুলা (কাঁধের হাড়) পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে; ব্যথা ওপর থেকে নিচের দিকে নামে।—কালমিয়া ল্যাটিফোলিয়া (Kalmia lat.)
কক্সিক্স ও স্যাক্রাম অঞ্চলে ব্যথা, বিশেষ করে বসা অবস্থা থেকে ওঠার সময়।—ল্যাকেসিস (Lachesis)
কিডনি বা বৃক্কের অঞ্চলে পিঠ ব্যথা; প্রস্রাবের আগে ব্যথা বাড়ে, প্রস্রাব হওয়ার পর কমে। প্রস্রাব ধীরে নির্গত হয়।—লাইকোপোডিয়াম (Lycopodium)
ঘাড় থেকে স্যাক্রাম পর্যন্ত পিঠ ব্যথা।—মেডোরিনাম (Med.)
জোরে চাপ দিলে পিঠ ব্যথা কমে। রোগী কোমর ও পিঠের চারপাশে হাত রেখে হাঁটে।—ন্যাট্রাম মিউর (Natrum mur.)
শুয়ে থাকা অবস্থায় বিছানায় পিঠ ব্যথা; উঠে বসতে বা পাশ ফিরতে হয়। ব্যথা কোমরের অংশে (lumbar region) সীমাবদ্ধ। অর্শ বা পাইলস থাকতে পারে। শীতকাতর, কোষ্ঠকাঠিন্যযুক্ত এবং কায়িক পরিশ্রমহীন জীবনযাপনকারী রোগীদের পিঠ ব্যথা।—নাক্স-ভমিকা (Nux-vomica)
শ্বেতপ্রদরসহ পিঠ ব্যথা। মেরুদণ্ড যেন ভেঙে গেছে এবং তার বা সুতা দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছে—এমন অনুভূতি।—ওভা টোস্টা (Ova tosta)
কোমরের অংশে ব্যথা। বিশেষ করে সকালে ঘুম থেকে ওঠার সময় পিঠ ব্যথা।—ফাইটোলাক্কা (Phytolacca)
মাসিক চলাকালীন পিঠ ব্যথা।—পালসেটিলা (Puls.)
পুরনো আঘাতজনিত পিঠ ব্যথা। মচকানো, ঠান্ডা লাগা, ভেজা কাপড় বা ভেজা মাটিতে ঘুমানো, বৃষ্টিতে ভেজা, ঘাম অবস্থায় স্নান করা বা অতিরিক্ত ভারী বস্তু তোলার কারণে পিঠ ব্যথা। আসন থেকে উঠলে ব্যথা বাড়ে এবং নড়াচড়া করলে কমে।--- রাস-টক্স
ঢেকুর তুললে কোমর ব্যথা কমে, শীতকাতুরে রোগী। জোরে চাপ দিলে আরাম হয়।--সেপিয়া
যৌন বাড়াবাড়ির পর বা রাগের সময় সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর কোমর ব্যথা বাড়ে।-- স্ট্যাফিস্যাগ্রিয়া
কাঁধের মাঝখানে ব্যথা। ঘাড়ের পেছনের অংশে শক্তভাব। শারীরিক পরিশ্রমের পর কোমর ব্যথা, কোমরের নিচের অংশে এবং কক্সিক্সে তীব্র ব্যথা। সোজা হয়ে হাঁটতে পারে না। - সালফার
দীর্ঘক্ষণ বসে থাকার পর কোমরের নিচের অংশে টানটান ব্যথা।- থুজা
DR. M.A.Rashid ( D.H.M.S)
Reg: 25238
House-66, Rd- 11, sec-14, Uttara-1230
Mob-01915-888883,01999-524451
Whatsapp- 01915-888883
পেটের ওপর ভর দিয়ে শুলে যে পিঠের ব্যথা কমে। - অ্যাসিটিকাম অ্যাসিডাম (Aceticum acidum)
শীতল ও শুষ্ক বাতাসের সংস্পর্শে হঠাৎ পিঠে ব্যথা। কোমরের নিচের অংশে আড়ষ্টতা ও তীব্র বিঁধে যাওয়ার মতো ব্যথা। - অ্যাকোনাইট (Aconite)
কোষ্ঠকাঠিন্য ও অর্শ বা পাইলসের কারণে কোমরের নিচের অংশে ব্যথা। দাঁড়িয়ে থাকলে রোগী আরাম বোধ করেন। অতিরিক্ত পরিশ্রমজনিত পিঠের ব্যথা। - এসকুলাস হিপ (Aesculus hip)
পুরো মেরুদণ্ডে আড়ষ্টতা। তীব্র বিঁধে যাওয়া ও জ্বালাপোড়া করা ব্যথা, যা সামনের দিকে ঝুঁকলে বা কুঁজো হলে বেড়ে যায়। পিঠে যেন ঠান্ডা সুঁই ফোটানো হচ্ছে এমন অনুভূতি। - অ্যাগারিকাস (Agaricus)
কোমরের অংশে (লাম্বার রিজিয়ন) ব্যথা। - অ্যামন কার্ব (Ammon carb)
ক্লান্তি বা অবসাদজনিত পিঠের ব্যথা, বিশেষ করে কোমরের নিচের অংশে। নড়াচড়া করলে বমি ভাব বা বমি হতে পারে। - অ্যান্টি-টার্ট (Ant-tart)
অতিরিক্ত পরিশ্রম বা কোনো দুর্ঘটনার কারণে পিঠের ব্যথা। - আর্নিকা (Arnica)
কিডনিতে পাথর বা মূত্রনালীর সমস্যার কারণে পিঠের ব্যথা। ব্যথা সব দিকে ছড়িয়ে পড়ে এবং অসাড়তা অনুভূত হয়। মাসিকের সময় পিঠে ব্যথা ও অসাড়তা। - বারবেরিস ভালগারিস (Berberis vul)
নড়াচড়ায় পিঠের ব্যথা বেড়ে যায় এবং বিশ্রাম ও চাপে উপশম হয়। - ব্রায়োনিয়া (Bryonia)
বসা অবস্থা থেকে ওঠার সময় পিঠের ব্যথা এবং পুরনো আঘাতজনিত ব্যথা। আর্নিকা ব্যবহারের পরেও এটি দেওয়া যেতে পারে। নদী বা হ্রদে স্নান করার ফলে পিঠের ব্যথা। কোমরের নিচের অংশে ব্যথা ও দুর্বলতা।
ঘাড়ের পেছনের অংশ শক্ত ও আড়ষ্ট। - ক্যালকেরিয়া কার্ব (Calcarea carb)
কোমরের নিচের অংশে দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা; নড়াচড়া শুরু করলে বেড়ে যায় এবং ক্রমাগত নড়াচড়ায় কমে। বিশ্রামের সময় ব্যথা বাড়ে এবং তাপ বা গরম সেঁক দিলে উপশম হয়। - ক্যালকেরিয়া ফ্লোর (Calcarea fluor)
শ্বেতপ্রদর বা লিউকোরিয়া জনিত পিঠের ব্যথা। পিঠের নিচে শক্ত কিছু রাখলে আরাম পাওয়া যায়। - ক্যালকেরিয়া ফস / ন্যাট-মিউর (Calcarea phos / Nat-mur)
যৌন মিলনের পর পিঠের ব্যথা। - ক্যানাবিস ইন্ডিকা (Cannabis ind)
মাসিকের সময় পিঠে ব্যথা। বসে থাকার সময় কোমরের নিচের অংশে ও কিডনির এলাকায় চাপ ধরা বা খিঁচুনির মতো ব্যথা; উঠে দাঁড়ালে উপশম হয়। - কস্টিকাম (Causticum)
পিঠের ব্যথা যা হাঁটুর পেছনের গর্ত পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। সকালে এবং বসে থাকলে ব্যথা বাড়ে; দাঁড়িয়ে থাকলে কমে। - চায়না (China)
পিঠ, ঘাড় ও স্যাক্রাল অঞ্চলে বাতজনিত ব্যথা যা উরু পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। স্ক্যাপুলা (কাঁধের হাড়) ও ডান কাঁধে ব্যথা। অস্থিরতা ও অনিদ্রা। পেলভিক অঞ্চলে ব্যথা। তাপ ও আহারে ব্যথা কমে। - সিমিফুগা (Cimicifuga)
পিঠ, নিতম্ব ও উরুতে ব্যথা। স্যাক্রাম বা ত্রিকাস্থি বরাবর তীব্র জ্বালা—কোলোসিন্থিস (Colocynthis)
সহবাসজনিত পিঠব্যথা; মেরুদণ্ডে আঘাত বা ঝাঁকুনিজনিত পিঠব্যথা—কোনিয়াম (Conium)
স্যাঁতসেঁতে বাড়িতে বা বেসমেন্টে বসবাসের কারণে পিঠব্যথা—ডালকামারা (Dulcamara) / নেট্রাম সালফ (Natrum Sulph)
মেরুদণ্ডের হাড়ের ব্যথার কারণে পিঠে ব্যথা।—ইউপেটোরিয়াম পারফোলিয়েটাম (Eupatorium perf.)
তীব্র পিঠ ব্যথা; ব্যথা শ্রোণিদেশ (pelvis) পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। পিঠ ব্যথার সাথে হলদেটে শ্বেতপ্রদর (leucorrhea) দেখা দেয়, যা মাসিকের পরে আরও বেড়ে যায়। জোরে চাপ দিলে ব্যথা উপশম হয়।—ইউপিওনাম (Eupionum)
পিঠ ও ঘাড়ের পেশিতে দীর্ঘস্থায়ী বাতজনিত সমস্যা। একটানা নড়াচড়ায় ব্যথা বাড়ে, বিশ্রামে (বিশেষ করে চিত হয়ে শুয়ে থাকলে) কমে। পিঠ ব্যথা যত পুরনো হয়, এই ওষুধটি তত বেশি কার্যকর। ব্যথা বা অসাড়তার (numbness) সাথে যুক্ত হলে এটি বিশেষ উপকারী।—ন্যাফালিয়াম (Gnaphalium)
স্নায়ুর আঘাতজনিত কারণে পিঠ ব্যথা। কক্সিক্স বা মেরুদণ্ডের শেষ হাড়ের ওপর পড়ে যাওয়ার পর তীব্র ব্যথা এবং হাঁটা বা সামনের দিকে ঝুঁকে পড়ার অক্ষমতা।—হাইপেরিকাম (Hypericum)
পিঠের নিচের অংশে ব্যথা এবং গর্ভবতী নারীদের পিঠ ব্যথা। ব্যথা অবিরাম থাকে এবং পিঠ ও পা যেন অচল হয়ে পড়ে; রোগীকে বসে পড়তে হয়। ঘাম হওয়া।—কালি-কার্ব (Kali-carb)
অসাড়তা বা অবশ ভাবসহ পিঠ ব্যথা। ব্যথা স্ক্যাপুলা (কাঁধের হাড়) পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে; ব্যথা ওপর থেকে নিচের দিকে নামে।—কালমিয়া ল্যাটিফোলিয়া (Kalmia lat.)
কক্সিক্স ও স্যাক্রাম অঞ্চলে ব্যথা, বিশেষ করে বসা অবস্থা থেকে ওঠার সময়।—ল্যাকেসিস (Lachesis)
কিডনি বা বৃক্কের অঞ্চলে পিঠ ব্যথা; প্রস্রাবের আগে ব্যথা বাড়ে, প্রস্রাব হওয়ার পর কমে। প্রস্রাব ধীরে নির্গত হয়।—লাইকোপোডিয়াম (Lycopodium)
ঘাড় থেকে স্যাক্রাম পর্যন্ত পিঠ ব্যথা।—মেডোরিনাম (Med.)
জোরে চাপ দিলে পিঠ ব্যথা কমে। রোগী কোমর ও পিঠের চারপাশে হাত রেখে হাঁটে।—ন্যাট্রাম মিউর (Natrum mur.)
শুয়ে থাকা অবস্থায় বিছানায় পিঠ ব্যথা; উঠে বসতে বা পাশ ফিরতে হয়। ব্যথা কোমরের অংশে (lumbar region) সীমাবদ্ধ। অর্শ বা পাইলস থাকতে পারে। শীতকাতর, কোষ্ঠকাঠিন্যযুক্ত এবং কায়িক পরিশ্রমহীন জীবনযাপনকারী রোগীদের পিঠ ব্যথা।—নাক্স-ভমিকা (Nux-vomica)
শ্বেতপ্রদরসহ পিঠ ব্যথা। মেরুদণ্ড যেন ভেঙে গেছে এবং তার বা সুতা দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছে—এমন অনুভূতি।—ওভা টোস্টা (Ova tosta)
কোমরের অংশে ব্যথা। বিশেষ করে সকালে ঘুম থেকে ওঠার সময় পিঠ ব্যথা।—ফাইটোলাক্কা (Phytolacca)
মাসিক চলাকালীন পিঠ ব্যথা।—পালসেটিলা (Puls.)
পুরনো আঘাতজনিত পিঠ ব্যথা। মচকানো, ঠান্ডা লাগা, ভেজা কাপড় বা ভেজা মাটিতে ঘুমানো, বৃষ্টিতে ভেজা, ঘাম অবস্থায় স্নান করা বা অতিরিক্ত ভারী বস্তু তোলার কারণে পিঠ ব্যথা। আসন থেকে উঠলে ব্যথা বাড়ে এবং নড়াচড়া করলে কমে।--- রাস-টক্স
ঢেকুর তুললে কোমর ব্যথা কমে, শীতকাতুরে রোগী। জোরে চাপ দিলে আরাম হয়।--সেপিয়া
যৌন বাড়াবাড়ির পর বা রাগের সময় সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর কোমর ব্যথা বাড়ে।-- স্ট্যাফিস্যাগ্রিয়া
কাঁধের মাঝখানে ব্যথা। ঘাড়ের পেছনের অংশে শক্তভাব। শারীরিক পরিশ্রমের পর কোমর ব্যথা, কোমরের নিচের অংশে এবং কক্সিক্সে তীব্র ব্যথা। সোজা হয়ে হাঁটতে পারে না। - সালফার
দীর্ঘক্ষণ বসে থাকার পর কোমরের নিচের অংশে টানটান ব্যথা।- থুজা
DR. M.A.Rashid ( D.H.M.S)
Reg: 25238
House-66, Rd- 11, sec-14, Uttara-1230
Mob-01915-888883,01999-524451
Whatsapp- 01915-888883