throat pain
গলা ব্যথা- Throat pain
হঠাৎ শুরু হওয়া তীব্র ও যন্ত্রণাদায়ক গলা ব্যথা যা উদ্বেগ সৃষ্টি করে। ত্বক গরম ও শুষ্ক থাকে। প্রচণ্ড তৃষ্ণা এবং গলা শুষ্ক দেখায়। গলায় খসখসে ভাব, সংকোচন, জ্বালা ও হুল ফোটানোর মতো অনুভূতি হয়; সাথে স্বরভঙ্গ হতে পারে। নড়াচড়া ও উষ্ণতায় উপশম হয়, কিন্তু স্যাঁতসেঁতে ও ঠান্ডা আবহাওয়ায় কষ্ট বাড়ে। রোগী রাতে এবং বিশ্রামের সময় বেশি কষ্ট পায়; ঠান্ডা পানীয় পানের ইচ্ছা থাকে। - অ্যাকোনাইট (Acon)
: গলার পেছনের অংশ উজ্জ্বল লাল ও মারাত্মকভাবে ফুলে যায়; সাথে জ্বালা ও হুল ফোটানোর মতো ব্যথা থাকে। রোগী খিটখিটে বা বিষণ্ণ মেজাজের হয়; খোলা বাতাস, ব্যায়াম, উদ্দীপক পদার্থ এবং গলায় উষ্ণতা পেলে ভালো বোধ করে। গলা, আলজিভ ও জিহ্বা ফুলে যায়; গলা আগুনের মতো লাল দেখায়। - এপিস (Apis)
গলায় কোনো সূক্ষ্ম কাষ্ঠখণ্ড বা কাঁটা বিঁধে আছে এমন অনুভূতি। - আর্জেন্টাম নাইট্রিকাম (Argentum nit)
গলায় শুষ্কতা ও জ্বালা। মুখ শুষ্ক থাকে এবং অল্প সময়ের ব্যবধানে অল্প পরিমাণে পানি পানের ইচ্ছা হয়। - আর্সেনিক অ্যালবাম (Arsenic album)
: হিস্টিরিয়াগ্রস্ত রোগীদের ক্ষেত্রে গলায় কোনো পিণ্ড বা দলা ওপরের দিকে উঠে আসছে বলে মনে হয়। - অ্যাসাফোটিডা (Asafoetida)
: টনসিল ফুলে যায়। লালা গিললে তীব্র জ্বালাকর ব্যথা হয়। শক্ত খাবার খেলে গলায় ব্যথা লাগে, তাই কেবল তরল খাবারই গেলা যায়। - বেরাইটা কার্ব (Baryta carb)
: জ্বরের প্রাথমিক পর্যায়ে গলা ব্যথা। গলা লাল, গরম ও ফোলা থাকে। কিছু গিলতে কষ্ট হয় এবং গলা শুষ্ক থাকে। - বেলাডোনা (Belladonna)
: ধূমপায়ী ও মদ্যপায়ীদের গলা ব্যথা। গলায় ব্যথা ও শুষ্কতা। আলজিভ ও তালু প্রদাহযুক্ত; জ্বালা ও সংকোচনের অনুভূতি। - ক্যাপসিকাম (Capsicum)
: মাড়ি থেকে রক্তপাত ও গলা ব্যথার ক্ষেত্রে গার্গল বা কুলকুচি করার জন্য ব্যবহৃত হয়। - কক্লেরিয়া আর্ম (Cochlearia arm Q)
গলায় যেন কোনো কাঁটা বা সূক্ষ্ম কাষ্ঠখণ্ড বিঁধে আছে এমন ব্যথা; কিছু গিললে ব্যথা বাড়ে। - ডলিকোস (Dolichos)
ক্ষতবিক্ষত অনুভূতির মতো জ্বালাকর তীব্র গলা ব্যথা; সাথে ঘন লালা ও কর্কশ কণ্ঠস্বর। ঠান্ডা পানীয় পানের ইচ্ছা; ঠান্ডা ও স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়ার সংস্পর্শে বা ঘাম হওয়ার পর দ্রুত শরীর ঠান্ডা হয়ে গেলে এমনটা হতে পারে। নড়াচড়া ও উষ্ণতায় উপশম হয়, কিন্তু বিশ্রাম নিলে ও রাতে কষ্ট বাড়ে। - ডালকামারা (Dulcamara)
সর্দি-কাশি ও হাঁচির সাথে চোখ দিয়ে পানি পড়ার পাশাপাশি গলা ব্যথাও থাকে। - ইউফ্রেশিয়া (Euphrasia)
: গলা ব্যথার সাথে মুখে বাজে স্বাদ। ব্যথা ঘাড় ও কান পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। কিছু গিলতে বা পান করতে কষ্ট হয়। জ্বরের কারণে পর্যায়ক্রমে শীত ও গরম অনুভূত হয়; মাথা ভারী মনে হয়, যেন কোনো ফিতা দিয়ে শক্ত করে বাঁধা হয়েছে। যেন মাথার চারপাশে একটি ফিতা বা ব্যান্ড বাঁধা আছে— জেলসেমিয়াম (Gelsemium)
: যেসব গায়ক বা গায়িকা তাদের কণ্ঠস্বর নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন না এবং গান শুরু করার পরপরই যাদের গলা বসে যায় বা কণ্ঠস্বর কর্কশ ও ভাঙা হয়ে পড়ে, তাদের জন্য এটি একটি চমৎকার ওষুধ— গ্রাফাইটিস (Graphites)
: শীতকাতর রোগীদের ক্ষেত্রে এটি গলা ব্যথা এবং গলায় দপদপ করা ব্যথার প্রবণতা রোধ করতে সাহায্য করে। ঢোক গিলবার সময় মনে হয় যেন গলায় কোনো ছিপি বা কাঠের টুকরো আটকে আছে। শীতবোধ হওয়া সত্ত্বেও রোগীর ঘাম হয়— হেপার সালফ (Hepar Sulph)
: গলায় কিছু আটকে আছে বা দলা পাকিয়ে আছে এমন অনুভূতি যা কিছুতেই গলাধঃকরণ করা যায় না। - ইগনেশিয়া (Ignatia)
: গলায় সুঁই ফোটানোর মতো ব্যথা, যেন মাছের কাঁটা আটকে আছে। - ক্যালি কার্ব (Kalium carb)
: গলা বেগুনি রঙের হয়ে যাওয়া ও ব্যথা। গলার চারপাশে কোনো চাপ—এমনকি নেক-টাইয়ের চাপও—অসহ্য লাগে; লালা বা তরল পদার্থ গিলতে কষ্ট হয়। বাম দিক বেশি আক্রান্ত হয়। দীর্ঘস্থায়ী গলা ব্যথা ও ঘন ঘন গলা পরিষ্কার করার প্রবণতা (hawking)। শ্লেষ্মা গলায় আটকে থাকে, যা উপরে বা নিচে কোনোভাবেই সরানো যায় না। - ল্যাকেসিস (Lachesis)
মাসিকের আগে গলা ব্যথা। - ম্যাগনেসিয়াম কার্ব (Magnesium carb)
: গলার তীব্র সমস্যা। দম বন্ধ হয়ে আসার মতো অনুভূতি, যেন গলাটা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। - ম্যাঞ্জিফেরা ইন্ডিকা (Mangifera indica)
: সর্দি-কাশি (catarrh), ফ্যারিঞ্জাইটিস, ল্যারিঞ্জাইটিস ও ব্যথার মতো গলার নানা সমস্যায় এটি অত্যন্ত কার্যকর। - মেন্থলম (Mentholum)
: গলা ব্যথা। মুখে প্রচুর লালা জমে এবং রোগীকে ঘন ঘন থুতু ফেলতে হয়। - মার্ক সল (Merc sol)
গলার যেকোনো অংশে প্রদাহ। - নেট্রাম ফস (Natrum phos)
গলায় প্রচণ্ড শুষ্কতা। নাকের পেছনের অংশ (posterior nares) খসখসে, ছড়ে যাওয়ার মতো ও বন্ধ অনুভূত হয়—ঠান্ডা পানীয় পানে এই সমস্যাগুলো আরও বেড়ে যায়। - অনোসমোডিয়াম (Onosmodium)
: ১০০ মিলি ঈষদুষ্ণ পানিতে ৮-১০ ফোঁটা মিশিয়ে দিনে ২-৩ বার গড়গড়া করলে গলা ব্যথায় ভালো ফল পাওয়া যায়। গলা সরু ও খসখসে মনে হয় এবং ভেতরে কিছু আটকে থাকার অনুভূতি থাকে। গলা গাঢ় লাল রঙের দেখায়। কিছু গিলতে খুব কষ্ট হয়। - ফাইটোলাক্কা কিউ (Phytolacca Q)
: অস্থিরতাসহ গলা ব্যথা। গলায় ফোলা ভাব বা স্ফীতির অনুভূতি। রোগী সাধারণত ঠান্ডা দুধ খেতে চায়। - রাস টক্স (Rhus tox)
বাম দিক থেকে গলা ব্যথা শুরু হয়। প্রচুর আঠালো শ্লেষ্মা জমে; থুতু দিয়ে ফেলা কঠিন হওয়ায় তা গিলে ফেলতে হয়। গলা ও মুখের ভেতরের পেছনের অংশ (fauces) শুষ্ক থাকে। - সাবাডিলা (Sabadilla)
: রোগীকে ক্রমাগত গলা পরিষ্কার করতে হয়। - স্পঞ্জিয়া (Spongia)
: রোগী অলস প্রকৃতির হয় এবং তার মুখ থেকে দুর্গন্ধ বের হয়। পায়ের তালু জ্বালা করার কারণে সে পা অনাবৃত রাখতে চায়। গলায় কিছু আটকে থাকার অনুভূতি ও জ্বালাপোড়া থাকে। - সালফার (Sulphur)
: বক্তা ও গায়কদের ক্ষেত্রে গলার শুষ্কতা। সম্পূর্ণ শ্বাসনালীতে প্রদাহ। - টেরেবিনথিনি (Terebinthiniae)
ফ্যারিঞ্জাইটিসের জন্য একটি অত্যন্ত ভালো ওষুধ। গায়ক ও জনবক্তাদের গলার অস্বস্তি বা জ্বালাভাবের ক্ষেত্রে কার্যকর। বারবার থুতু গেলা ও গলা পরিষ্কার করার তীব্র আকাঙ্ক্ষা। - ওয়াইথিয়া (Wyethia)
DR. M.A.Rashid ( D.H.M.S)
Reg: 25238
Mob-01915-888883,01999-524451
Whatsapp- 01915-888883
On line treatment is open: contact: Mob-01915-888883, Whatsapp- 01915-888883
হঠাৎ শুরু হওয়া তীব্র ও যন্ত্রণাদায়ক গলা ব্যথা যা উদ্বেগ সৃষ্টি করে। ত্বক গরম ও শুষ্ক থাকে। প্রচণ্ড তৃষ্ণা এবং গলা শুষ্ক দেখায়। গলায় খসখসে ভাব, সংকোচন, জ্বালা ও হুল ফোটানোর মতো অনুভূতি হয়; সাথে স্বরভঙ্গ হতে পারে। নড়াচড়া ও উষ্ণতায় উপশম হয়, কিন্তু স্যাঁতসেঁতে ও ঠান্ডা আবহাওয়ায় কষ্ট বাড়ে। রোগী রাতে এবং বিশ্রামের সময় বেশি কষ্ট পায়; ঠান্ডা পানীয় পানের ইচ্ছা থাকে। - অ্যাকোনাইট (Acon)
: গলার পেছনের অংশ উজ্জ্বল লাল ও মারাত্মকভাবে ফুলে যায়; সাথে জ্বালা ও হুল ফোটানোর মতো ব্যথা থাকে। রোগী খিটখিটে বা বিষণ্ণ মেজাজের হয়; খোলা বাতাস, ব্যায়াম, উদ্দীপক পদার্থ এবং গলায় উষ্ণতা পেলে ভালো বোধ করে। গলা, আলজিভ ও জিহ্বা ফুলে যায়; গলা আগুনের মতো লাল দেখায়। - এপিস (Apis)
গলায় কোনো সূক্ষ্ম কাষ্ঠখণ্ড বা কাঁটা বিঁধে আছে এমন অনুভূতি। - আর্জেন্টাম নাইট্রিকাম (Argentum nit)
গলায় শুষ্কতা ও জ্বালা। মুখ শুষ্ক থাকে এবং অল্প সময়ের ব্যবধানে অল্প পরিমাণে পানি পানের ইচ্ছা হয়। - আর্সেনিক অ্যালবাম (Arsenic album)
: হিস্টিরিয়াগ্রস্ত রোগীদের ক্ষেত্রে গলায় কোনো পিণ্ড বা দলা ওপরের দিকে উঠে আসছে বলে মনে হয়। - অ্যাসাফোটিডা (Asafoetida)
: টনসিল ফুলে যায়। লালা গিললে তীব্র জ্বালাকর ব্যথা হয়। শক্ত খাবার খেলে গলায় ব্যথা লাগে, তাই কেবল তরল খাবারই গেলা যায়। - বেরাইটা কার্ব (Baryta carb)
: জ্বরের প্রাথমিক পর্যায়ে গলা ব্যথা। গলা লাল, গরম ও ফোলা থাকে। কিছু গিলতে কষ্ট হয় এবং গলা শুষ্ক থাকে। - বেলাডোনা (Belladonna)
: ধূমপায়ী ও মদ্যপায়ীদের গলা ব্যথা। গলায় ব্যথা ও শুষ্কতা। আলজিভ ও তালু প্রদাহযুক্ত; জ্বালা ও সংকোচনের অনুভূতি। - ক্যাপসিকাম (Capsicum)
: মাড়ি থেকে রক্তপাত ও গলা ব্যথার ক্ষেত্রে গার্গল বা কুলকুচি করার জন্য ব্যবহৃত হয়। - কক্লেরিয়া আর্ম (Cochlearia arm Q)
গলায় যেন কোনো কাঁটা বা সূক্ষ্ম কাষ্ঠখণ্ড বিঁধে আছে এমন ব্যথা; কিছু গিললে ব্যথা বাড়ে। - ডলিকোস (Dolichos)
ক্ষতবিক্ষত অনুভূতির মতো জ্বালাকর তীব্র গলা ব্যথা; সাথে ঘন লালা ও কর্কশ কণ্ঠস্বর। ঠান্ডা পানীয় পানের ইচ্ছা; ঠান্ডা ও স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়ার সংস্পর্শে বা ঘাম হওয়ার পর দ্রুত শরীর ঠান্ডা হয়ে গেলে এমনটা হতে পারে। নড়াচড়া ও উষ্ণতায় উপশম হয়, কিন্তু বিশ্রাম নিলে ও রাতে কষ্ট বাড়ে। - ডালকামারা (Dulcamara)
সর্দি-কাশি ও হাঁচির সাথে চোখ দিয়ে পানি পড়ার পাশাপাশি গলা ব্যথাও থাকে। - ইউফ্রেশিয়া (Euphrasia)
: গলা ব্যথার সাথে মুখে বাজে স্বাদ। ব্যথা ঘাড় ও কান পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। কিছু গিলতে বা পান করতে কষ্ট হয়। জ্বরের কারণে পর্যায়ক্রমে শীত ও গরম অনুভূত হয়; মাথা ভারী মনে হয়, যেন কোনো ফিতা দিয়ে শক্ত করে বাঁধা হয়েছে। যেন মাথার চারপাশে একটি ফিতা বা ব্যান্ড বাঁধা আছে— জেলসেমিয়াম (Gelsemium)
: যেসব গায়ক বা গায়িকা তাদের কণ্ঠস্বর নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন না এবং গান শুরু করার পরপরই যাদের গলা বসে যায় বা কণ্ঠস্বর কর্কশ ও ভাঙা হয়ে পড়ে, তাদের জন্য এটি একটি চমৎকার ওষুধ— গ্রাফাইটিস (Graphites)
: শীতকাতর রোগীদের ক্ষেত্রে এটি গলা ব্যথা এবং গলায় দপদপ করা ব্যথার প্রবণতা রোধ করতে সাহায্য করে। ঢোক গিলবার সময় মনে হয় যেন গলায় কোনো ছিপি বা কাঠের টুকরো আটকে আছে। শীতবোধ হওয়া সত্ত্বেও রোগীর ঘাম হয়— হেপার সালফ (Hepar Sulph)
: গলায় কিছু আটকে আছে বা দলা পাকিয়ে আছে এমন অনুভূতি যা কিছুতেই গলাধঃকরণ করা যায় না। - ইগনেশিয়া (Ignatia)
: গলায় সুঁই ফোটানোর মতো ব্যথা, যেন মাছের কাঁটা আটকে আছে। - ক্যালি কার্ব (Kalium carb)
: গলা বেগুনি রঙের হয়ে যাওয়া ও ব্যথা। গলার চারপাশে কোনো চাপ—এমনকি নেক-টাইয়ের চাপও—অসহ্য লাগে; লালা বা তরল পদার্থ গিলতে কষ্ট হয়। বাম দিক বেশি আক্রান্ত হয়। দীর্ঘস্থায়ী গলা ব্যথা ও ঘন ঘন গলা পরিষ্কার করার প্রবণতা (hawking)। শ্লেষ্মা গলায় আটকে থাকে, যা উপরে বা নিচে কোনোভাবেই সরানো যায় না। - ল্যাকেসিস (Lachesis)
মাসিকের আগে গলা ব্যথা। - ম্যাগনেসিয়াম কার্ব (Magnesium carb)
: গলার তীব্র সমস্যা। দম বন্ধ হয়ে আসার মতো অনুভূতি, যেন গলাটা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। - ম্যাঞ্জিফেরা ইন্ডিকা (Mangifera indica)
: সর্দি-কাশি (catarrh), ফ্যারিঞ্জাইটিস, ল্যারিঞ্জাইটিস ও ব্যথার মতো গলার নানা সমস্যায় এটি অত্যন্ত কার্যকর। - মেন্থলম (Mentholum)
: গলা ব্যথা। মুখে প্রচুর লালা জমে এবং রোগীকে ঘন ঘন থুতু ফেলতে হয়। - মার্ক সল (Merc sol)
গলার যেকোনো অংশে প্রদাহ। - নেট্রাম ফস (Natrum phos)
গলায় প্রচণ্ড শুষ্কতা। নাকের পেছনের অংশ (posterior nares) খসখসে, ছড়ে যাওয়ার মতো ও বন্ধ অনুভূত হয়—ঠান্ডা পানীয় পানে এই সমস্যাগুলো আরও বেড়ে যায়। - অনোসমোডিয়াম (Onosmodium)
: ১০০ মিলি ঈষদুষ্ণ পানিতে ৮-১০ ফোঁটা মিশিয়ে দিনে ২-৩ বার গড়গড়া করলে গলা ব্যথায় ভালো ফল পাওয়া যায়। গলা সরু ও খসখসে মনে হয় এবং ভেতরে কিছু আটকে থাকার অনুভূতি থাকে। গলা গাঢ় লাল রঙের দেখায়। কিছু গিলতে খুব কষ্ট হয়। - ফাইটোলাক্কা কিউ (Phytolacca Q)
: অস্থিরতাসহ গলা ব্যথা। গলায় ফোলা ভাব বা স্ফীতির অনুভূতি। রোগী সাধারণত ঠান্ডা দুধ খেতে চায়। - রাস টক্স (Rhus tox)
বাম দিক থেকে গলা ব্যথা শুরু হয়। প্রচুর আঠালো শ্লেষ্মা জমে; থুতু দিয়ে ফেলা কঠিন হওয়ায় তা গিলে ফেলতে হয়। গলা ও মুখের ভেতরের পেছনের অংশ (fauces) শুষ্ক থাকে। - সাবাডিলা (Sabadilla)
: রোগীকে ক্রমাগত গলা পরিষ্কার করতে হয়। - স্পঞ্জিয়া (Spongia)
: রোগী অলস প্রকৃতির হয় এবং তার মুখ থেকে দুর্গন্ধ বের হয়। পায়ের তালু জ্বালা করার কারণে সে পা অনাবৃত রাখতে চায়। গলায় কিছু আটকে থাকার অনুভূতি ও জ্বালাপোড়া থাকে। - সালফার (Sulphur)
: বক্তা ও গায়কদের ক্ষেত্রে গলার শুষ্কতা। সম্পূর্ণ শ্বাসনালীতে প্রদাহ। - টেরেবিনথিনি (Terebinthiniae)
ফ্যারিঞ্জাইটিসের জন্য একটি অত্যন্ত ভালো ওষুধ। গায়ক ও জনবক্তাদের গলার অস্বস্তি বা জ্বালাভাবের ক্ষেত্রে কার্যকর। বারবার থুতু গেলা ও গলা পরিষ্কার করার তীব্র আকাঙ্ক্ষা। - ওয়াইথিয়া (Wyethia)
DR. M.A.Rashid ( D.H.M.S)
Reg: 25238
Mob-01915-888883,01999-524451
Whatsapp- 01915-888883
On line treatment is open: contact: Mob-01915-888883, Whatsapp- 01915-888883