line-7
Vital force, immune system
জীবনীশক্তি, রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা-Vital force, immune system
মানব দেহের অভ্যন্তরে এক অদৃশ্য জীবনীশক্তি ক্রমাগত কাজ করে চলছে। এই জীবনীশক্তির অপ্রতিহত কর্মক্ষমতাই হলো স্বাস্থ্য। রোগ সৃষ্টিকারী যত প্রকার কারণ আছে সেগুলোর মধ্যে এক অদৃশ্য রোগ উৎপাদক শক্তি বর্তমান থাকে। এই অদৃশ্য শক্তির প্রভাবেই দেহাভ্যন্তরের অদৃশ্য জীবনীশক্তি আক্রান্ত হয়। ইহার ফল স্বরূপ কতগুলো অস্বাভাবিক লক্ষণ প্রকাশ লাভ করে। প্রথমেই শরীর ম্যাজ ম্যাজ করে, কাজে উৎসাহ পায় না, বসে থাকে, ঘুম হয় না, খেতে চায় না ইত্যাদি। প্রথমে এই সব অবস্থার প্রকাশ। রোগী এই অবস্থায় সাধারণত চিকিৎসার কোন প্রয়োজন মনে করে না। ফলে ক্রমশ রোগের বৃদ্ধি ঘটে এবং দেহাভ্যন্তরস্থ যন্ত্রগুলো আক্রান্ত হতে থাকে। অবশ্যি প্রকৃতির নিয়ম অনুসারে সবচেয়ে কম প্রয়োজনীয় যন্ত্র (Organ) গুলি প্রথমে আক্রান্ত হয়। তারপর ধীরে ধীরে হৃদযন্ত্র, ফুসফুস, যকৃত, প্লীহা, মূত্রগ্রন্থি ইত্যাদি দেহের অন্যান্য মূল্যবান অংশে রোগ ছড়িয়ে পড়ে। রোগের শুরু থেকে (Stage of Dynamic Pathology) এইসব যান্ত্রিক পরিবর্তন পর্যন্ত যত লক্ষণ তৈরী হয় তাদের সমষ্টি গত অবস্থাই হলো রোগ। এর শুরু ক্রিয়াঘটিত লক্ষণ সমূহে এবং শেষ গঠনগত (organic) লক্ষণ সমূহে। লক্ষণ সমষ্টিকে রোগ না ভেবে যান্তিক পরিবর্তনগুলোকেই সাধারণত রোগ বলা হয়। ফলে রোগের প্রথমাবস্থায় (Functional Stage) আমরা রোগ নির্ধারণ করতে পারি না। যান্ত্রিক পরিবর্তন হলো রোগের শেষ পরিণতি। চিকিৎসাকালে আমরা এইভাবে শেষ থেকে শুরু করি বলেই রোগ নিরাময় অত্যন্ত দুরূহ হয়ে উঠে। যক্ষ্মা রোগের প্রারম্ভে যে সব ক্রিয়া ঘটিত লক্ষণ প্রকাশ পায় সেগুলো সঠিক চিকিৎসা করতে পারলে যক্ষ্মারোগ ফুসফুস ধ্বংস করতে পারে না। কাজেই রোগী চিকিৎসা অনেক সহজ হয়। কিন্তু সকলেই জানেন যক্ষ্মারোগ একবার পূর্ণতা প্রাপ্ত হলে এবং যান্ত্রিক পরিবর্তন সহ অগ্রগামী হলে তাকে আরোগ্য করা কত কঠিন। সব রোগের ক্ষেত্রে এই একই নিয়ম প্রযোজ্য। কাজেই লক্ষণ সমষ্টির এক সামগ্রিক অবস্থাই হলো রোগ। এর বেশী বা কম কিছুই নয়। কি কারণে রোগ হচ্ছে, রক্ত ইত্যাদিতে কি কি অস্বাভাবিকতার প্রকাশ আছে, এক্সরেতে কি ধরা পড়ছে মলমূত্র পরীক্ষায় কি পরিবর্তন পাওয়া যাচ্ছে এইগুলো রোগের এক একটা দিক মাত্র। সম্পূর্ণ চিত্র নয়। রোগের কারণ হিসাবে চিকিৎসাশাস্ত্রে যে গুলোকে গণ্য করা হয় তার অধিকাংশই কারণ নয়, রোগের ফল। যদিও এই সব রোগ ফল আবার রোগ বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। ইউরিমিয়া রোগীর রক্তে ইউরিয়া বেড়ে যাওয়াটা প্রকৃত কারণ নয়। বরং একটি প্রধান লক্ষণ (Ob- jective Symptoms)। মূত্রগ্রন্থি সঠিকভাবে কাজ না করার জন্য এই অবস্থা দেখা যায়। কিন্তু এই অত্যধিক ইউরিয়া জমে যাওয়া রোগীর অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটায় রোগী আচ্ছন্ন (কোমা) অবস্থায় অথবা তড়কা হয়ে মারা যায়। যেমন, লিভার বড় হওয়াটা রোগ নয়, রোগের একটি পরিণত লক্ষণ মাত্র। তাই হ্যানিম্যান বলেছেন, লক্ষণ সমষ্টির বাইরে রোগ লুকিয়ে থাকতে পারে না। দেহাভ্যন্তরে যাই ঘটুক না কোন, বাইরে তার প্রকাশ হবেই এবং এই প্রকাশ হওয়াটাই লক্ষণ। এই লক্ষণ ক্রিয়া ঘটিত হোক আর গঠনগত হোক। আমরা যে সুস্থ আছি তাও আমরা বুঝি সুস্থতার পরিচয় বহনকারী স্বাভাবিক অনুভূতির সমষ্টিগত অবস্থার দ্বারা। অসুস্থতার লক্ষণের সমষ্টিগত অবস্থা থেকে সুস্থতার উপলদ্ধি সমষ্টিগত অবস্থায় ফিরিয়ে আনাই হলে চিকিৎসকের কাজ। যন্ত্র যন্ত্রাংশকে জোড়াতালি দিয়ে টিকিয়ে রাখা নয়। কাজেই হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক হওয়ার আগে রোগের এই প্রকৃতি জ্ঞান অর্জন করতে হবে। অন্যথায় শিব গড়তে ভূত গড়া হবে। রোগী আরোগ্য না করে তার যন্ত্রাংশের মেরামতির কাজ করেই চিকিৎসক জীবন শেষ করতে হবে। এই প্রসংগে আর একটি কথা মনে রাখতে হবে, লক্ষণ সমষ্টির সামগ্রিক অবস্থার স্থায়ী অবলুপ্তিই হচ্ছে আরোগ্য।
লক্ষণ সমষ্টি বলতে শুধু রোগী যে কষ্ট সমূহ নিয়ে চিকিৎসকের কাছে আসেন, সেগুলোকেই বোঝায় না। চিকিৎসক নিজে রোগী পরীক্ষা করে যা পান, রক্ত, মল, মূত্র ইত্যাদির পরীক্ষায় যা পান, এক্সরে, ই.সি.জি, ই.ই.জি. ইত্যাদি এই সবগুলোই লক্ষণ সমষ্টির অন্তর্ভূক্ত। একটা পিত্ত পাথুরির (Gall Stone) রোগীতে রোগীর সব কষ্টই চলে গেল অথচ পিত্তথলিতে পাথর থেকে একে আরোগ্য বলা যায় না। পিত্ত থলির পাথরগুলো থাকবে না এবং রোগীর কোন কষ্ট থাকবে না, কি দেহে কি মনে – একেই বলে আরোগ্য। জোড়াতালি দিয়ে রোগীর যন্ত্র বা যন্ত্রাংশ মেরামত করাকে আরোগ্য বলে না। অনেক হোমিওপ্যাথিক জ্ঞানপাপীরা বলে চিকিৎসক আছেন যারা আরাগ্য কি তাও ঠিক বুঝতে পারেন না। আবার অনেক হোমিওপ্যাথিতে লক্ষণ চলে যায় কিন্তু রোগ থেকে যায়। এটা কিন্তু অসম্ভব কথা। রোগ মানেই তো লক্ষণ। কাজেই লক্ষণ না থাকলে রোগ থাকে কি কবে আবার রোগ থাকিলে লক্ষণ সমষ্টি যাবেই বা কি করে? কায়া না থাকলে ছায়া আসে কি করে। কায়া থাকলেই সেখানে ছায়া আসার প্রশ্ন আবার ছায়া থাকলে সেখানে কায়া থাকার প্রশ্ন। এই সাধারণ সত্যটুকু উপলব্ধি, করতে পারলেই সংশয় কেটে যাবে। রোগী পরীক্ষা করতে না জানলে, রোগের যান্ত্রিক পরিবর্তনগুলো বুঝতে না পারলে, ল্যাবরেটরী থেকে প্রাপ্ত লক্ষণগুলো সম্যক বুঝতে না পারলে আরোগ্য সম্বন্ধে এই ধরণের ভুল থাকাই স্বাভাবিক। কাজেই স্বাস্থ্য রোগ, আরোগ্য বুঝতে হলে চিকিৎসা শাস্ত্রের সব বিষয় ভাল করে জ্ঞান অর্জন করতে হবে। অদৃশ্য শক্তি ও তার কাজ (Dynamic and Dynamic action) সম্যক উপলব্ধি করতে হলে প্রথমেই বুঝতে হবে এই অদৃশ্য শক্তি দুই ক্ষেত্রেই সমান কাজ করে যথা রোগ শক্তি এবং ঔষধ শক্তি। এই উভয় শক্তিই সূক্ষ্ম, স্থুল নয়। কাজেই চোখে দেখা অসম্ভব। অথচ ইহার অস্তিত্ব যে বিজ্ঞান সম্মত তা এতক্ষণ আলোচনার মাধ্যমে বুঝানো হলো। সব কিছুই চোখে দেখলে বিশ্বাস করা হবে এমন কথা কোন চিন্তাশীল ব্যাক্তি মনে করেন না।– organon of medicine
DR. M.A.Rashid ( D.H.M.S)
Reg: 25238
House-66, Rd- 11, sec-14, Uttara-1230
Mob-01915-888883,01999- 524451
Whatsapp- 01915-888883
করে যা পাওয়া যায়
মানব দেহের অভ্যন্তরে এক অদৃশ্য জীবনীশক্তি ক্রমাগত কাজ করে চলছে। এই জীবনীশক্তির অপ্রতিহত কর্মক্ষমতাই হলো স্বাস্থ্য। রোগ সৃষ্টিকারী যত প্রকার কারণ আছে সেগুলোর মধ্যে এক অদৃশ্য রোগ উৎপাদক শক্তি বর্তমান থাকে। এই অদৃশ্য শক্তির প্রভাবেই দেহাভ্যন্তরের অদৃশ্য জীবনীশক্তি আক্রান্ত হয়। ইহার ফল স্বরূপ কতগুলো অস্বাভাবিক লক্ষণ প্রকাশ লাভ করে। প্রথমেই শরীর ম্যাজ ম্যাজ করে, কাজে উৎসাহ পায় না, বসে থাকে, ঘুম হয় না, খেতে চায় না ইত্যাদি। প্রথমে এই সব অবস্থার প্রকাশ। রোগী এই অবস্থায় সাধারণত চিকিৎসার কোন প্রয়োজন মনে করে না। ফলে ক্রমশ রোগের বৃদ্ধি ঘটে এবং দেহাভ্যন্তরস্থ যন্ত্রগুলো আক্রান্ত হতে থাকে। অবশ্যি প্রকৃতির নিয়ম অনুসারে সবচেয়ে কম প্রয়োজনীয় যন্ত্র (Organ) গুলি প্রথমে আক্রান্ত হয়। তারপর ধীরে ধীরে হৃদযন্ত্র, ফুসফুস, যকৃত, প্লীহা, মূত্রগ্রন্থি ইত্যাদি দেহের অন্যান্য মূল্যবান অংশে রোগ ছড়িয়ে পড়ে। রোগের শুরু থেকে (Stage of Dynamic Pathology) এইসব যান্ত্রিক পরিবর্তন পর্যন্ত যত লক্ষণ তৈরী হয় তাদের সমষ্টি গত অবস্থাই হলো রোগ। এর শুরু ক্রিয়াঘটিত লক্ষণ সমূহে এবং শেষ গঠনগত (organic) লক্ষণ সমূহে। লক্ষণ সমষ্টিকে রোগ না ভেবে যান্তিক পরিবর্তনগুলোকেই সাধারণত রোগ বলা হয়। ফলে রোগের প্রথমাবস্থায় (Functional Stage) আমরা রোগ নির্ধারণ করতে পারি না। যান্ত্রিক পরিবর্তন হলো রোগের শেষ পরিণতি। চিকিৎসাকালে আমরা এইভাবে শেষ থেকে শুরু করি বলেই রোগ নিরাময় অত্যন্ত দুরূহ হয়ে উঠে। যক্ষ্মা রোগের প্রারম্ভে যে সব ক্রিয়া ঘটিত লক্ষণ প্রকাশ পায় সেগুলো সঠিক চিকিৎসা করতে পারলে যক্ষ্মারোগ ফুসফুস ধ্বংস করতে পারে না। কাজেই রোগী চিকিৎসা অনেক সহজ হয়। কিন্তু সকলেই জানেন যক্ষ্মারোগ একবার পূর্ণতা প্রাপ্ত হলে এবং যান্ত্রিক পরিবর্তন সহ অগ্রগামী হলে তাকে আরোগ্য করা কত কঠিন। সব রোগের ক্ষেত্রে এই একই নিয়ম প্রযোজ্য। কাজেই লক্ষণ সমষ্টির এক সামগ্রিক অবস্থাই হলো রোগ। এর বেশী বা কম কিছুই নয়। কি কারণে রোগ হচ্ছে, রক্ত ইত্যাদিতে কি কি অস্বাভাবিকতার প্রকাশ আছে, এক্সরেতে কি ধরা পড়ছে মলমূত্র পরীক্ষায় কি পরিবর্তন পাওয়া যাচ্ছে এইগুলো রোগের এক একটা দিক মাত্র। সম্পূর্ণ চিত্র নয়। রোগের কারণ হিসাবে চিকিৎসাশাস্ত্রে যে গুলোকে গণ্য করা হয় তার অধিকাংশই কারণ নয়, রোগের ফল। যদিও এই সব রোগ ফল আবার রোগ বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। ইউরিমিয়া রোগীর রক্তে ইউরিয়া বেড়ে যাওয়াটা প্রকৃত কারণ নয়। বরং একটি প্রধান লক্ষণ (Ob- jective Symptoms)। মূত্রগ্রন্থি সঠিকভাবে কাজ না করার জন্য এই অবস্থা দেখা যায়। কিন্তু এই অত্যধিক ইউরিয়া জমে যাওয়া রোগীর অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটায় রোগী আচ্ছন্ন (কোমা) অবস্থায় অথবা তড়কা হয়ে মারা যায়। যেমন, লিভার বড় হওয়াটা রোগ নয়, রোগের একটি পরিণত লক্ষণ মাত্র। তাই হ্যানিম্যান বলেছেন, লক্ষণ সমষ্টির বাইরে রোগ লুকিয়ে থাকতে পারে না। দেহাভ্যন্তরে যাই ঘটুক না কোন, বাইরে তার প্রকাশ হবেই এবং এই প্রকাশ হওয়াটাই লক্ষণ। এই লক্ষণ ক্রিয়া ঘটিত হোক আর গঠনগত হোক। আমরা যে সুস্থ আছি তাও আমরা বুঝি সুস্থতার পরিচয় বহনকারী স্বাভাবিক অনুভূতির সমষ্টিগত অবস্থার দ্বারা। অসুস্থতার লক্ষণের সমষ্টিগত অবস্থা থেকে সুস্থতার উপলদ্ধি সমষ্টিগত অবস্থায় ফিরিয়ে আনাই হলে চিকিৎসকের কাজ। যন্ত্র যন্ত্রাংশকে জোড়াতালি দিয়ে টিকিয়ে রাখা নয়। কাজেই হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক হওয়ার আগে রোগের এই প্রকৃতি জ্ঞান অর্জন করতে হবে। অন্যথায় শিব গড়তে ভূত গড়া হবে। রোগী আরোগ্য না করে তার যন্ত্রাংশের মেরামতির কাজ করেই চিকিৎসক জীবন শেষ করতে হবে। এই প্রসংগে আর একটি কথা মনে রাখতে হবে, লক্ষণ সমষ্টির সামগ্রিক অবস্থার স্থায়ী অবলুপ্তিই হচ্ছে আরোগ্য।
লক্ষণ সমষ্টি বলতে শুধু রোগী যে কষ্ট সমূহ নিয়ে চিকিৎসকের কাছে আসেন, সেগুলোকেই বোঝায় না। চিকিৎসক নিজে রোগী পরীক্ষা করে যা পান, রক্ত, মল, মূত্র ইত্যাদির পরীক্ষায় যা পান, এক্সরে, ই.সি.জি, ই.ই.জি. ইত্যাদি এই সবগুলোই লক্ষণ সমষ্টির অন্তর্ভূক্ত। একটা পিত্ত পাথুরির (Gall Stone) রোগীতে রোগীর সব কষ্টই চলে গেল অথচ পিত্তথলিতে পাথর থেকে একে আরোগ্য বলা যায় না। পিত্ত থলির পাথরগুলো থাকবে না এবং রোগীর কোন কষ্ট থাকবে না, কি দেহে কি মনে – একেই বলে আরোগ্য। জোড়াতালি দিয়ে রোগীর যন্ত্র বা যন্ত্রাংশ মেরামত করাকে আরোগ্য বলে না। অনেক হোমিওপ্যাথিক জ্ঞানপাপীরা বলে চিকিৎসক আছেন যারা আরাগ্য কি তাও ঠিক বুঝতে পারেন না। আবার অনেক হোমিওপ্যাথিতে লক্ষণ চলে যায় কিন্তু রোগ থেকে যায়। এটা কিন্তু অসম্ভব কথা। রোগ মানেই তো লক্ষণ। কাজেই লক্ষণ না থাকলে রোগ থাকে কি কবে আবার রোগ থাকিলে লক্ষণ সমষ্টি যাবেই বা কি করে? কায়া না থাকলে ছায়া আসে কি করে। কায়া থাকলেই সেখানে ছায়া আসার প্রশ্ন আবার ছায়া থাকলে সেখানে কায়া থাকার প্রশ্ন। এই সাধারণ সত্যটুকু উপলব্ধি, করতে পারলেই সংশয় কেটে যাবে। রোগী পরীক্ষা করতে না জানলে, রোগের যান্ত্রিক পরিবর্তনগুলো বুঝতে না পারলে, ল্যাবরেটরী থেকে প্রাপ্ত লক্ষণগুলো সম্যক বুঝতে না পারলে আরোগ্য সম্বন্ধে এই ধরণের ভুল থাকাই স্বাভাবিক। কাজেই স্বাস্থ্য রোগ, আরোগ্য বুঝতে হলে চিকিৎসা শাস্ত্রের সব বিষয় ভাল করে জ্ঞান অর্জন করতে হবে। অদৃশ্য শক্তি ও তার কাজ (Dynamic and Dynamic action) সম্যক উপলব্ধি করতে হলে প্রথমেই বুঝতে হবে এই অদৃশ্য শক্তি দুই ক্ষেত্রেই সমান কাজ করে যথা রোগ শক্তি এবং ঔষধ শক্তি। এই উভয় শক্তিই সূক্ষ্ম, স্থুল নয়। কাজেই চোখে দেখা অসম্ভব। অথচ ইহার অস্তিত্ব যে বিজ্ঞান সম্মত তা এতক্ষণ আলোচনার মাধ্যমে বুঝানো হলো। সব কিছুই চোখে দেখলে বিশ্বাস করা হবে এমন কথা কোন চিন্তাশীল ব্যাক্তি মনে করেন না।– organon of medicine
DR. M.A.Rashid ( D.H.M.S)
Reg: 25238
House-66, Rd- 11, sec-14, Uttara-1230
Mob-01915-888883,01999- 524451
Whatsapp- 01915-888883
করে যা পাওয়া যায়